সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ মার্চ: কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন মুকুল রায়। এরপর তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন। ফলে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন মুকুল রায় বিজেপিতেই আছেন। অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে ভর্ৎসনা করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করতে বলে। সেই মতো সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দুর আইনজীবী। কিন্তু প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি একক বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয় বলেই আদালত সূত্রে খবর।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে প্রথমবার ভোটে লড়ে বিধায়ক হয়েছিলেন মুকুল রায়। এরপর দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় বর্ষীয়ান এই নেতার। গত বছর জুন মাসে তৃণমূল ভবনে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। তারপরই মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি তোলে বঙ্গ বিজেপি।

এমনকি সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মামলা খারিজ করে শীর্ষ আদালত। যদিও বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদনও করা হয়েছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের মামলায় রায় দেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুর আবেদন খারিজ করে স্পিকার স্পষ্ট করে দেন, মুকুল বিজেপি-তেই আছেন। তাই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করা হচ্ছে না। এবার কলকাতা হাইকোর্টে মুকুলের বিধায়ক পদ নিয়ে শুনানি হবে।


More Stories
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
বালাসাহেব-উদ্ধব ও একনাথই কি যথাক্রমে মমতা – অভিষেক ও ঋতব্রত?
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর