সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৫ এপ্রিল: ফের ভয়াবহ বিস্ফোরণ পাকিস্তানে। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সোয়াট উপত্যকার একটি থানায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে,সন্ত্রাস দমন বিভাগের সদর দফতরও কেঁপে ওঠে। ইতিমধ্যেই ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে ১২ জন পুলিশ অফিসার বলেই জানা গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে আহত ৬০-রও বেশি। অন্যদিকে,এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দেশের সন্ত্রাসদমন বিভাগ। এটি সন্ত্রাসবাদী হামলা কিনা, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত মাসেই পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কারণে মৃত্যু হয় ৯জন পুলিশকর্মীর। আহত বহু। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরণের একটি ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পাক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছিল,বালুচিস্তান প্রদেশের সিবি ও কাছি সীমান্তবর্তী বোলান এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। সেসময় একটি পুলিশের গাড়ি বোলান এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশের গাড়িটি কামব্রি ব্রিজের কাছে আসতেই আচমকা বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় প্রাণ হারান ৯জন পুলিশকর্মী। অন্যদিকে,বিস্ফোরণরে জেরে কড়া নিরাপত্তায় পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছিল।গোটা ঘটনায় পাক জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান-এর মদত রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।
আরও পড়ুন বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত টেক্সাস

প্রসঙ্গত,পাকিস্তানের মাটিতে লাগাতার নাশকতা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরিক-ই-তালিবান। পাক প্রশাসনের অভিযোগ, টিটিপি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তালিবান। পাকিস্তানে হামলা চালিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিচ্ছে এই জঙ্গিরা। যদিও ইসলামাবাদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন পাক মদতপুষ্ট হক্কানি গোষ্ঠী। যদিও হক্কানিদের একেবারেই পছন্দ করে না তালিবান। কার্যত সেই কারণেই কিছুদিন পর পরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই চলেছে। আর পাকিস্তানিদের এই খেসারত দিতে হচ্ছে রক্তের বিনিময়ে।


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক