সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ মে : তিল দেখতে ছোট্ট হলেও গুনে অনেক। নাড়ু থেকে শুরু করে পিঠে, বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয় তিল। তিলের বীজ থেকে তেল উৎপাদন হয়। এটিকে তৈলবীজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। স্বাদে, গুনে ভরপুর এই তিল।তিলের বীজ সাধারণত প্রোটিন, ভিটামিন,খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। দৈনন্দিন খাবারে তিলের ব্যবহার খুব কম হয়। হানি চিকেন হোক বা ব্রেড বার্গার হালকা তিলের ছোঁয়াতে স্বাদে ভরে ওঠে সেই খাবার। বহু বাঙালি রান্নার রেসিপিতেই সাদা তিলবাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। তিল যেমন কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে ঠিক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এর জুড়িমেলা ভার।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মহৌষধি : ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণেও অত্যন্ত কার্যকরী এই তিল। তিলের বীজে কয়েক টন ম্যাগনেসিয়াম থাকে।তিল রক্তে শর্করাকে হ্রাস করতে সহায়তা করে এবং ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই প্রতিদিন যদি গরম ভাতের সঙ্গে তিলবাটা খেতে পারেন তাহলে কিন্তু ডায়াবিটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে।
ব্যথা উপশমে কার্যকরী: শীতে বাড়ে গাঁটের ব্যথা।সাদা তিলে রয়েছে কপার বা তামা যা বিভিন্ন ধরণের ব্যথা উপশমে দারুন কার্যকরী। আমাদের দেহ তামা তৈরি করতে অক্ষম। তাই এই ক্ষেত্রে তিল খেলে বা এর তেল ব্যবহার করলে খুবই উপকার পাওয়া যায়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় : তিল ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এছাড়াও তিলের বীজ স্তন, ফুসফুস এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
হার শক্ত করে : সাদা তিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যা হাড় মজবুত করে। অস্টিওপোরোসিসের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমিয়ে দেয় এই তিল। ক্যালসিয়াম স্নায়ু সংকেত সংক্রমণ, পেশী আন্দোলন, রক্তনালীর কার্যকারিতা এবং হরমোন নিঃসরণেও ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুন কলকাতায় এবার হলুদ ট্যাক্সি চালালেন দক্ষিণী অভিনেতা চিরঞ্জিবী

রূপ পরিচর্যায় মোক্ষম কার্যকরী : তিল তেল একটু গরম করে রোজ মালিশ করলে নিষ্প্রাণ ত্বকে উজ্জ্বলতা এসে যায়, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।এতে রয়েছে জিঙ্ক।চুল এবং ত্বককে শক্তিশালী করে।ব্রনর সমস্যা থাকলে তিলের বীজ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে : তিলের বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে উন্নতি সাধন করতে পারে। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াগুলিকে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু এতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে তাই এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূরীভূত করে।


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু