সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ জুন : সমাজের উন্নয়নে নারীদের ক্ষমতায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একাধিক প্রকল্প আনা হয়েছে। আজকের ভারত অনেক দিক থেকেই এগিয়ে। কিন্তু এই ভারতে আজও মেয়েদের পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক লড়াই করতে হয়। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও স্কিমের পাশাপাশি আরও একটি স্কিম আছে। তা হল বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা। যেটি মেয়েদের পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য খুবই উপকারী। তাছাড়া আর্থিক দিক থেকেও বিশেষ সাহায্য করবে এই স্কিম।
আরও পড়ুন অশান্ত মণিপুর, অবশেষে দিল্লিতে সর্বদলীয় বৈঠক কেন্দ্রের

১৯৯৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একটি স্কিম এনেছিল বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা যা একজন মা কন্যাসন্তানের জন্মের পর ৫০০ টাকা প্রদান করত। ওই কন্যাসন্তান দশম শ্রেণি পর্যন্ত ধাপে ধাপে টাকা পেত। যারা দারিদ্র্য সীমার নীচে তাদের জন্য মূলত এই স্কিম। প্রতি পরিবার ২ জন কন্যাসন্তান পর্যন্ত এই সুবিধা পায়। অনলাইনে ও অফলাইনে এই স্কিমের জন্য আবেদন করা যায়।এর জন্য লাগে কন্যাসন্তানের জন্মের শংসাপত্র। বাবা-মা বা আত্মীয়ের পরিচয়পত্র। রেশন কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবুক।

আরও পড়ুন পঞ্চায়েতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ খারিজ করে দিল হাইকোর্ট
এই স্কিমে কেন্দ্রীয় সরকার কন্যাসন্তানদের বার্ষিক স্কলারশিপ প্রদান করে। প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেনি পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ টাকা,নবম ও দশম শ্রেনিতে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হয়।
বেটি বাঁচাও ও বেটি পড়াও,সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার মতো কেন্দ্রীয় সরকার কন্যাদের সুস্থ স্বাভাবিক ভবিষ্যত গঠনের উদ্দেশ্যে বালিকা সমৃদ্ধি প্রকল্প নিয়ে এসেছে। এই প্রকল্পটি বিশেষভাবে আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির মূলত যারা বিপিএল তালিকাভুক্ত তাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সরকার দরিদ্র মেয়ে ও তাদের অভিভাবকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কন্যা সন্তানের জন্মের সময় গরিব মেয়েদের বাবা-মাকে ৫০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি মেয়েদের শিক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বৃত্তিও দেয় সরকার।


More Stories
ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টির উদ্ভব
অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা আসছে
রবীন্দ্র জন্মদিন : মোদি ও মমতার কবিগুরু স্মরণ