সময় কলকাতা ডেস্ক,৩ আগস্ট: ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হাইভোল্টেজ তৃতীয় বৈঠকের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হল। জানা গিয়েছে, আগামী ৩১ আগস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর মুম্বইয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের তৃতীয় বৈঠক হবে। এই তৃতীয় বৈঠকের আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে এবং শরদ পওয়ার। বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকের পরই ঠিক হয়েছিল যে, আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২৫-২৬ তারিখে মুম্বইয়ে ফের বৈঠকে বসা হবে। কিন্তু সেসময় জোটের বেশ কয়েকজন নেতা সময় দিতে পারছেন না। কার্যত সেকারণে ওই মেগা বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে নীতীশ কুমারের ডাকে বিহারে আয়োজিত হয়েছিল প্রথম বৈঠক। এরপর বেঙ্গালুরুতে জুলাই মাসে আয়োজিত হয় বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠক। সূত্রের খবর, শরদ পওয়ার, উদ্ধব ঠাকরেদের আয়োজনে বৈঠকে অংশ নিতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও জোটের অন্যান্য মুখ্যমন্ত্রীরাও মুম্বইয়ে যাবেন। মুম্বইয়ের বৈঠকে বিরোধী জোটের আহ্বায়ক কে হবেন, খুব শীঘ্রই তা ঠিক করে ফেলা হবে। লড়াইয়ে আছেন প্রবীণ নেতা শরদ পওয়ার এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সহ আরও কয়েকজন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে মুম্বইয়ে এই তৃতীয় বৈঠকে।
আরও পড়ুন মণিপুর ইস্যুতে রাজ্যের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের

সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দ্বিতীয় বৈঠকে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনার জন্য গৃহীত হয় লোকসভায়। কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ ২৬টি বিরোধী দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র তরফে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন। স্পিকার সেই আলোচনার অনুমোদন দেন। স্পিকার জানিয়েছেন তিনি আলোচনার তারিখ পরে জানিয়ে দেবেন। সংসদ সূত্রে খবর, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি আলাদা করে একটি অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, নিয়ম হল ৫০ জন সাংসদ মিলে প্রস্তাব জমা করলে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। ১০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে জানাতে হবে আলোচনার তারিখ। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে কারণে বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে ঠিক একই কৌশল মাথায় রেখে সরকারও তাতে আলোচনায় সাড়া দিচ্ছে। বিরোধীরা চেয়েছিল সরকার যাতে মনিপুর প্রসঙ্গ এড়িয়ে একতরফা ভাবে ৩১টি বিল পাস করিয়ে নিতে না পারে। অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনা হলে সংসদের নেতা তথা সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়াটা সংসদীয় রীতি। ফলে নরেন্দ্র মোদি মণিপুর নিয়ে নীরব থাকলেও অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনার উপর জবাবে ভাষণে তাঁকে উত্তর পূর্বের ওই রাজ্যটির বিষয়ে বলতে হতে পারে।


More Stories
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭