সময় কলকাতা ডেস্ক,১৮ আগস্ট : যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর পরে হোস্টেলের ঠিক পাশের মাঠে জিবি মিটিং হয়েছিল। পুলিশকে ঘোল খাওয়াতে কী কী বলতে হবে হোস্টেল লাগোয়া খোলা মাঠে তার তালিম দেওয়া হয়। অর্থাৎ এককথায় বেফাঁস কেউ যেন কিছু না বলে সেজন্য ৱ্যাগিং করা ছাত্ররা একজোট হয় আর সেখানে চলে কোচিং ও ট্রেনিং ক্লাস। তাতেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। যাদবপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তিন ছাত্র শুক্রবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছে । সবমিলিয়ে বর্তমান পড়ুয়া ও প্রাক্তনী মিলিয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রের সংখ্যা দাঁড়াল ১২।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে দুই প্রাক্তনী ও একজন প্রকৃত অর্থে পড়ুয়া। তাদের দুজন বাড়ি চলে গেলেও একজন হোস্টেলেই ছিল।দুই প্রাক্তনীর মধ্যে গণিতের মাস্টার্স ডিগ্রি করা হিমাংশু কর্মকার ও গণিতের মাস্টার্স করা নাসিম আখতারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে সুদর্শন রাই যেকিনা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে চতুর্থ বর্ষে পড়াশোনা করছে। এঁদের সকলেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। এরা খোলা মাঠে জিবি মিটিং-এ হাজির ছিল। এরা পুলিশকে বিপথগামী করার কোচিং ক্লাসেও মহড়া নিয়েছে।
যত গ্রেফতার করা হচ্ছে, তত জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন নতুন তথ্যের সন্ধান মিলছে। এখন রহস্যের জট সম্পূর্ণভাবে খোলার আশায় পুলিশ। মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক রিপোর্ট থেকে ছাত্রটির সঙ্গে আদতে কী করা হয়েছিল তা জানতে উদগ্রীব পুলিশ। এখন মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্টের সাগ্রহে অপেক্ষায় পুলিশ।।
আরও পড়ুন : পুত্রকে ট্রাক পিষে দেওয়ায় ট্রাকচালককে গুলি করে খুন করলেন বাবা


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপই ধর্ষণের মাপকাঠি নয়, জানাল আদালত