Home » ধূপগুড়ির বিধায়কের শপথগ্রহণ নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত, শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান রাজভবনে করতে চান রাজ্যপাল

ধূপগুড়ির বিধায়কের শপথগ্রহণ নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত, শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান রাজভবনে করতে চান রাজ্যপাল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত তুঙ্গে। যদিও রাজ্য-রাজভবন সংঘাত নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন ইস্যুতে এর আগেও একাধিকবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের মতানৈক্য হয়েছে। তবে এবার  ধূপগুড়ির বিধায়কের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করেও বিতর্কে রাজ্য বনাম রাজ্যপাল। নির্মলচন্দ্র রায়ের শপথগ্রহণ নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। ৮ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ির উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়। জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, বিধানসভার পরিবর্তে ধূপগুড়ির বিধায়কের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান রাজভবনে করতে চান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর, সরাসরি ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়কে রাজ্যপাল ফোনও করেছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকার গঠনের সময় ছাড়া মাঝে কোনও উপ নির্বাচন হলে জয়ী বিধায়কদের শপথের ক্ষেত্রে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারকে দায়িত্ব দেন রাজ্যপাল। এমনকী রাজ্যপাল নিজেও শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারেন।

কিন্তু সাধারণত, বিধায়কের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান বিধানসভাতেই হয়ে থাকে। তার পরিবর্তে রাজভবনে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান করতে চাইতেই বিতর্ক দানা বাঁধছে। ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাতের আবহ দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্যের দাবি, ৮ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ির উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরের দিনই জয়ী বিধায়কের শপথ সংক্রান্ত ফাইল রাজভবনে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, দু সপ্তাহ অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও সেই ফাইলে সই করেননি রাজ্যপাল। ধূপগুড়ির বিধায়ককে ফোন করে রাজ্যভবনে শপথ বাক্য পাঠ করার বিষয়টি সামনে আসার পর দেরির কারণ এবার বুঝতে পারছে রাজ্য। এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য -রাজ্যপালের মধ্যে নতুন করে যে সংঘাতের সৃষ্টি হল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন      পাওলো রোসি : ম্যাচ ফিক্সিং-এর অভিযোগ থেকে ব্যালন ডি’অর, ৬৪ বছরের অসামান্য সফর

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ির উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়েছে। শাসক- বিরোধীদের কাছে ধুপগুড়ির উপ নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। ধূপগুড়ির উপনির্বাচনে চার হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর নব বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায়ের শপথ সংক্রান্ত ফাইল রাজভবনে পাঠায় রাজ্য সরকার। অভিযোগ ওঠে, এতদিন পর্যন্ত রাজভবনেই সেই ফাইল পড়েছিল। রাজ্যপাল সেই ফাইলে এতদিন সই না করে পনেরো দিন ধরে ফেলে রেখেছিল।

About Post Author