স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২১ নভেম্বর: ঘরের মাঠে টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হার ভারতের। ২০২৬ বিশ্বকাপ এবং এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে হারলেন সুনীলেরা। মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরে কাতারের বিরুদ্ধে ০-৩ ব্যবধানে হারলেন তারা। প্রথম ম্যাচে কুয়েতকে তাদের ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ইগর স্তিমাচের ছেলেরা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে গত বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজকদের বিরুদ্ধে হারতে হল ভারতকে।

আরও পড়ুন মমতার আমলেই বাংলায় ২০ হাজার কোটি বিনিয়োগের আশ্বাস মুকেশ আম্বানির
খাতায় কলমে ভারতের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল কাতার। তাই ঘরের মাঠে খেললেও ৩ পয়েন্ট পাওয়ার আশা হয়তো খুব বড় ভারতীয় সমর্থকও করেননি। তবে শক্তিশালী কাতারের বিরুদ্ধে কতটা লড়াই দিতে পারেন সুনীলরা সেদিকেই তাকিয়ে ছিল দেশবাসী। তার মধ্যে মঙ্গলবার গ্যালারিতে বসে ভারতের খেলা দেখেন প্রাক্তন আর্সেনাল কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার। যিনি একদিন আগে ভারতীয় ফুটবলকে সোনার খনি বলে সম্বোধিত করেছেন। তাঁর সামনে ভারতীয় দল ১ পয়েন্ট পাবে বলে আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সর্বশক্তি দিয়েও কাতারকে রুখতে পারলেন না সুনীলরা। কার্যত সাত জনে, আবার কখনও কখনও আট জনে রক্ষণ সামলেও গোল দূর্গ অক্ষত রাখতে পারলেন না অমরিন্দররা। খেলার দুই অর্ধে গোল করার দু’টি সহজ সুযোগও পেয়েছিলেন সুনীলেরা। তবে কাজে লাগাতে পারেননি।

খেলার শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ভারত। ম্যাচের ৪ মিনিটে কর্ণার থেকে গোল করে কাতারকে এগিয়ে দেন মুস্তাফা মিশেল। যদিও খেলার শুরুতে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে কাতার। শুরু থেকে ভারতীয় দলকে চাপে রেখেছিলেন কাতারের ফুটবলারেরা। সেই চাপের মুখেই বার বার খেলায় ছন্দ হারালেন শুভাশিস বোসরা। অন্য দিকে, ভারতীয় দলের প্রতি আক্রমণের চেষ্টা মাঝ মাঠের থামিয়ে ম্যাচের আধিপত্য কায়েম রাখেন কাতারের ফুটবলারেরা। গোটা দুয়েক ভাল সেভ ভারতকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন গোলরক্ষক অমরিন্দর সিং। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের শেষে কাতার এগিয়ে যায় ১-০ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ব্যবধান বাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে কাতার। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে কাতারের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন মোয়েজ আলি। খেলা শেষ হওয়ার ৪ মিনিট আগে কাতারের হয়ে তৃতীয় গোল করেন ইউসুফ আবদুরিসগ। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানে ম্যাচ দিতে নেয় গত বিশ্বকাপের আয়োজকেরা। ভারতের খেলা নিশ্চিতভাবে খুশি করতে পারেনি আর্সেনালের প্রাক্তন কোচকে। প্রথমার্ধের শেষে তিনি বলেন, “খেলার গতি কমালে হবে না। আরও গতিশীল ফুটবল খেলা উচিত ছিল ভারতের। প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের আরও কড়া নজরে রাখতে হবে। বল ছাড়া তাদের স্থান পরিবর্তন নজরে রাখতে হবে।”


More Stories
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার