সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ ডিসেম্বর: ক্রমশ মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১। সাধারণ মানুষকে গ্রাস করছে করোনা আতঙ্ক! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সব রাজ্যের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। ভারতেও হু হু করে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই সাব ভ্যারিয়েন্টে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫০০১। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৭০২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ছয় জনের। এখনও পর্যন্ত নয়টি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। অন্যদিকে দিল্লি, কর্নাটক, কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গে থেকে একজন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন কাটল জট, হাওড়ায় আজই ক্রিসমাস কার্নিভাল চালুর নির্দেশ মমতার
কেরল, মহারাষ্ট্র, গোয়াম এই তিন রাজ্যে জেএন.১-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। কেরলে পাঁচজন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে, তিন রাজ্যের মধ্যে গোয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ জন। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে কোভিড পরিস্থিতির উপর নজরদারির যে গাইডলাইন রয়েছে, তা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোনও অসুস্থতা বা শ্বাসজনিত কোনও অসুস্থতার উপর জেলাস্তরে নজরদারি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই তথ্য নিয়মিতভাবে ইন্টিগ্রেটেড হেল্থ ইনফরমেশন পোর্টালে তোলার জন্য বলা হয়েছে। জেলাস্তরে যাতে নির্দিষ্ট অনুমাতে আরটি-পিসিআর ও অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিশেষ জোর দিতে বলা হয়েছে আরটিপিসিআর পরীক্ষার উপর।
কোনও নমুনায় করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে, সেটি সঙ্গে সঙ্গে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য বলা হয়েছে। যাতে কোনও নতুন ভ্যারিয়েন্ট ঢুকে পড়েছে কি না, তা আগে ভাগে শনাক্ত করা যায়। প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে কি না, তাও দেখে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে কেন্দ্র। এদিকে, রাজ্যেও ৮ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। শহরের একাধিক সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। রাজ্যের স্বাস্থ্যভসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছেন,‘ বেলেঘাটা আইডি এবং এমআর বাঙুরের আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। দুটি হাসপাতালে ৩৩ ও ৩০টি শয্যা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকমন্ত্রকের নির্দেশে দুটি হাসপাতালেই মকড্রিল হয়েছে। সিসিইউ, আইসিইউ শয্যা , মেডিক্যাল অক্সিজেন পাইপ লাইন পরীক্ষা, সবকিছুরই ব্যাবস্থা করা হয়েছে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি