Home » মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১, ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১, ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ জানুয়ারি: শীতের মরশুমে গত কয়েক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। বিভিন্ন রাজ্যে ধারাবাহিক ভাবে বেড়েছে সংক্রমণ।নতুন বছরের শুরু থেকেই চিন্তার ভাঁজ কপালে। নতুন বছরের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। ক্রমশ মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আনন্দের মাঝেই দেশে সর্বাধিক দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৫ জন। ভারতের সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। উৎসবের আনন্দের মাঝেই করোনার চোখ রাঙানি নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষও। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণও।

আরও পড়ুন   নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার রিপোর্ট হাইকোর্টে পেশ ইডির

একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কেরালায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৪৭ জন, তামিলনাড়ুতে ২২ জন। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এহেন পরিস্থিতিতে একাধিক জনবহুল এলাকাগুলি করোনার হটস্পট হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবারই ৮০০-র গণ্ডি পার করেছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত করোনার এই সাব ভ্যারিয়েন্টে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত কেরল, মহারাষ্ট্র, গোয়া-এই তিন রাজ্যে জেএন.১-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের খোঁজ বেশি পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে কোভিড পরিস্থিতির উপর নজরদারির যে গাইডলাইন রয়েছে, তা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোনও অসুস্থতা বা শ্বাসজনিত কোনও অসুস্থতার উপর জেলাস্তরে নজরদারি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই তথ্য নিয়মিতভাবে ইন্টিগ্রেটেড হেল্থ ইনফরমেশন পোর্টালে তোলার জন্য বলা হয়েছে। জেলাস্তরে যাতে নির্দিষ্ট অনুমাতে আরটি-পিসিআর ও অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিশেষ জোর দিতে বলা হয়েছে আরটিপিসিআর পরীক্ষার উপর। কোনও নমুনায় করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে, সেটি সঙ্গে সঙ্গে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য বলা হয়েছে। যাতে কোনও নতুন ভ্যারিয়েন্ট ঢুকে পড়েছে কি না, তা আগে ভাগে শনাক্ত করা যায়। প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে কি না, তাও দেখে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে কেন্দ্র।

About Post Author