সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ জানুয়ারিঃ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ডায়মন্ড হারবারে। শনিবার ভোররাতে ভয়াবহ আগুন লাগে ডায়মন্ড হারবারের নেতাড়া স্টেশন সংলগ্ন বাজারে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে এসেছে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা। লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন RANJI TROPHY: ব্যর্থ মনোজ, ইডেনে ছত্তীসগঢ়ের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ব্যাকফুটে বাংলা
আরও পড়ুন কলিঙ্গ সুপার কাপে ইস্টবেঙ্গলের “মস্তানি”, মশালে পুড়ে ছাই নৌকা, মোহনবাগান হারল বড় ব্যবধানে
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোররাতে হঠাৎই নেতাড়া স্টেশন সংলগ্ন বাজারে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে ভস্মীভূত হয়ে যায় একটি চামড়ার কারখানা, খাবারের হোটেল-সহ ১৫টিরও বেশি দোকান। হোটেলের ভেতরে থাকা একাধিক গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয় গোটা চত্বরজুড়ে। দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে। তড়িঘড়ি খবর পৌঁছয় দমকলে।

খবর পাওয়া মাত্রই দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। দমকল কর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। যদিও এদিন ঠিক কী কারণে এই আগুন লেগেছে,তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। সবটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। প্রাথমিকভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে থেকেই আগুন লেগেছে।


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?