সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ জানুয়ারি: বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজতন্ত্রী নেতা কর্পূরী ঠাকুরকে মরণোত্তর ‘ভারতরত্ন’ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার, ২৪ জানুয়ারি জননায়ক কর্পূরী ঠাকুরের জন্মশতবর্ষ। তার আগে মঙ্গলবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, এবার কর্পূরী ঠাকুরকে মরণোত্তর ভারতরত্নে ভূষিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় কর্পূরী ঠাকুরের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য তিনি যে অবদান রেখেছিলেন, তার জন্যই এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন কর্মক্ষেত্রে শ্রমের ফল পাবেন, প্রেম হতাশা আনবে! জানুন রাশিফল
একসময় লালু প্রসাদ যাদব, নীতীশ কুমার থেকে শুরু করে রাম বিলাস পাশোয়ানের মতো নেতাদের রাজনৈতিক গুরু হিসেবে পরিচিত ছিলেন কর্পূরী ঠাকুর। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জননায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ কর্পূরী ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষের আগেই এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। তিনি সব স্তরের মানুষের সমতার জন্য লড়াই করেছিলেন। পিছিয়ে পড়া মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে ভূমিকা পালন করেছেন কর্পূরী ঠাকুর তা দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর অবদান আগামিদিনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তাঁর জোটসঙ্গী আরজেডি একে ‘বিজেপির ভোটমুখী চমক’ বলে খোঁচা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ব্রিটিশ ভারতে বিহারের সমস্তিপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছাত্রাবস্থা থেকেই বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিতেন কর্পূরী ঠাকুর। পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দেন সক্রিয়ভাবে। দুবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। ১৯৭০ থেকে ১৯৭১ সাল ও ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তৎকালীন জনতা দলের এই নেতা। তাঁর সময়কালে দরিদ্র মানুষের উন্নয়নে অনেক কাজ হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ তিনিই প্রথম শুরু করেছিলেন। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলে একাধিক স্কুল তৈরি হয়েছিল তাঁর আমলে, যা আজও তাঁর নামেই পরিচিত। তিনি বিহারে মদ নিষিদ্ধ করেছিলেন তাঁর আমলেই।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর