Home » PREMIER LEAGUE: সাত গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের

PREMIER LEAGUE: সাত গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২ ফেব্রুয়ারি: “সহজেও ম্যাচ জেতা যায়। গোল না খেয়েও ম্যাচ জেতা যায়। বড় ব্যবধানে ম্যাচ জেতা যায়”। কথাগুলি কার্যত নিজেদের ফুটবল অভিধান থেকে মুছে ফেলেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সাম্প্রতিক সময়ে যে কোনও প্রতিযোগিতায় ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলতে রীতিমত কালঘাম ছুটছে ২১ বারের প্রিমিয়ার লিগ জয়ীদের। বৃহস্পতিবার প্রিমিয়ার লিগে সেরকমই একটি ম্যাচের সাক্ষী থাকলেন ইউনাইটেড সমর্থকরা। সাত গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে উলভারহ্যাম্পটনকে হারালেও অনেক প্রশ্ন রেখেই মাঠ ছাড়লেন ইউনাইটেড ফুটবলাররা।

উলভারহ্যাম্পটনের ঘরের মাঠে সহজ জয় পেয়ে মাঠ ছাড়তে পারত ইউনাইটেড। খেলা শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্কোস  রাশফোর্ড। রাসমাস হুইল্যান্ডের পাস থেকে গোল করেন ব্রিটিশ ফরওয়ার্ড। দ্বিতীয় গোলটি আসে ড্যানিশ স্ট্রাইকারের পা থেকেই। প্রথম গোলের সতেরো মিনিটের পর ম্যাঞ্চেস্টারের ক্লাবের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুন করেন হুইল্যান্ড। প্রথমার্ধে আয়োজকরা কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরী করলেও বলের নিয়ন্ত্রণ বেশী ছিল স্বাগতিকদের দখলে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় এরিক টেন হ্যাগের দল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইউনাইটেড। একটা সময়ে অনেকের মনে হয়েছিল খেলার ভাগ্য স্থির হয়ে গিয়েছে। তবে আজকাল সহজে ম্যাচ জেতার অভ্যাস পরিত্যাগ করেছে রুনি,রোনাল্ড, বেকহ্যামদের প্রাক্তন ক্লাব। এই সময় থেকে খেলার চিত্রনাট্য পরিবর্তন আসতে শুরু করে। বক্সের মধ্যে নেটোকে ট্যাপ করে উলভসকে পেনাল্টি উপহার দেন ক্যাসেমিরো। পেনাল্টি থেকে বল জালে রাখতে ভুল করেননি অভিজ্ঞ পাবলো সারাবিয়া। গোল হজম করার চার মিনিট পর ব্যবধান পুনরুদ্ধার করে ইউনাইটেড শিবির। ব্রুনোর কর্নার থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন স্কট ম্যাকটমিনে। ৮৫তম মিনিটে গোল করে উলভারহ্যাম্পটনকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন ম্যাক্স কিলম্যান। আর দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে গোল করে খেলায় সমতা ফেরান পেদ্রো নেটো।

আরও পড়ুন: PREMIER LEAGUE: অ্যানফিল্ডে চেলসিকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে লিগ শীর্ষে লিভারপুল

একদিকে যখন প্রত্যাবর্তনের উৎসবে মেতেছিলেন উলভস সমর্থকরা, তখন হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন ইউনাইটেড সমর্থকরা। কিন্তু অন্তিম নাটকের শেষ দৃশ্য তখনও বাকি ছিল। দুই মিনিট পরই বক্সের কিছুটা বাইরে বল পেয়ে যান কবি মাইনু। একক দক্ষতায় বিপক্ষের তিন চারজন ডিফেন্ডারকে অবলীলায় কাটিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।  সেই গোলের সৌজন্যে সাত গোলের ম্যাচে পুরো ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড।

About Post Author