Home » মহিলা ফুটবলারের খোঁজ মিলছে না, অপহরণের অভিযোগ

মহিলা ফুটবলারের খোঁজ মিলছে না, অপহরণের অভিযোগ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারি : প্রতিশ্রুতিবান  মহিলা ফুটবলার নিখোঁজ। মেধাবী ছাত্রী বর্ণিতা বর্মন ১মাস ধরে নিরুদ্দেশ। মেয়ের আশায় দিনরাত চোখের জল এখন মা – বাবার সঙ্গী। কলেজে যাবার নাম করে গিয়ে আর ফেরেনি বর্ণিতা ।  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার ভোলানাথপুর এলাকা থেকে কর্পূরের মত উবে গিয়েছে সে ।এ বিষয়ে কুমারগঞ্জ থানায় মহিলা ফুটবলারের  পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও প্রশাসন মেয়েটির বেশ কিছুদিন আগের লোকেশন ট্র্যাক করা ছাড়া বিশেষ কিছুই করে উঠতে পারে নি। এ বিষয়ে মেয়েটির পরিবারের সন্দেহ এনসিসি ও ফুটবলে দক্ষ তরুণীকে প্রথমে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।প্রশান্ত মুর্মু নামে এক যুবকের উপর সন্দেহ রয়েছে তাঁদের এবং তাদের মেয়েকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে । জানা গিয়েছে, মেয়েটির বয়স আঠেরো বছরের বেশি হলেও মেয়েটির সঙ্গে একমাসের বেশি সময় ধরে কোনও যোগাযোগ করে উঠতে না পারায় পরিবার তার অবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। সবচেয়ে বড় আশঙ্কার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে, মহিলা ফুটবলারের  ফোন লোকেশন ট্র্যাক করে দেখা গিয়েছে তার শেষ অবস্থান ছিল কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে। পরিবারের ভয়, ভালো আছে তো মেয়ে?

উল্লেখ্য,বর্ণিতা কলেজে ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী। ছেলেটিও সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র। রাজবংশী সম্প্রদায়ের  বর্ণিতা  গতমাসের ১০ই জানুয়ারী মেয়েটি দুপুর ১২টা নাগাদ জুতো ফেরত দেবার নাম করেই বাড়ির বাইরে বেরোলে তার পর আর বাড়ি ফেরেনি। মহিলা ফুটবলারের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন উত্তর প্রদেশের একটি  সংস্থায় কাজ করেন। তিনি জানিয়েছেন, যাকে নিয়ে সন্দেহ সেই প্রশান্ত মুর্মু  মেয়েটির পরিচিত। কিন্তু তাকে প্রথমে প্রলোভন দেখিয়ে পরে অপহরণ করা হয়েছে বলেই  তাঁদের সন্দেহ।তারা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি ও করেছেন। থানায় ডায়েরি করলে, পুলিশি তৎপরতায় মেয়েটির নম্বর ট্র্যাক করে জানা যায় যে ছেলেটি ও মেয়েটি প্রথমে গঙ্গারামপুর এ মিলিত হয়, তারপর মেয়েটির লাস্ট লোকেশন দেখায় এসএসকেএম হাসপাতাল কলকাতায়। তারপর থেকেই মেয়েটির ফোন সুইচড অফ। মেয়েটির কোনো হদিস এখনো অবধি মেলেনি।

মহিলা ফুটবলারের খোঁজে  নেমে প্রশাসনিক তদন্তে  জানা গিয়েছে যে, মেয়েটির খোঁজ পাওয়া না গেলেও  অভিযুক্ত ছেলেটি তার আধার কার্ড দিয়ে ৫টি সিম ব্যবহার করছে। এই তথ্য পেয়ে চমকে উঠেছে প্রশাসন, বিষয়টি জেনে কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ আরও প্রকট হয়েছে বর্ণিতার পরিবারের। এমতাবস্থায় বর্ণিতার বাড়ির লোকের দাবি যে, মেয়েটিকে অবিলম্বে অপহরণকারীর হাত থেকে উদ্ধার করা হোক, অন্তত মেয়েটি যে নিরাপদে আছে সে বিষয় নিশ্চিত করা হোক।।

আরও পড়ুন প্রাক্তন ডাচ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর একযোগে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ

 

About Post Author