Home » প্রাক্তন ডাচ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর একযোগে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ

প্রাক্তন ডাচ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর একযোগে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ

সময় কলকাতা ডেস্ক,১৪ ফেব্রুয়ারি :ডাচ রাজনীতির একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, ড্রিস ভ্যান অ্যাগট এবং তার স্ত্রী ইউজেনি তাদের যুগল স্বেচ্ছামৃত্যু বা ডুয়ো ইউথেনেশিয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনে নিজেরাই ইতি টেনে আনেন। এই দম্পতি ৯৩বছর বয়সে তাদের নিজ শহর নিজমেগেনে হাতে হাত রেখে মারা যান।

ইউথেনেশিয়া কোন নতুন বিষয় নয়। ভারতের ক্ষেত্রে আইনত কিছু জটিলতা থাকলেও  বহির বিশ্বে বিষয়টি অত্যন্ত প্রচলিত।দুরারোগ্য অসুখে আক্রান্ত কোনও মানুষ যখন অকথ্য যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তখন তাঁর মনে হয় একমাত্র মৃত্যুই হয়তো তাঁর সব কষ্ট, সব বেদনাকে লাঘব করতে পারে। সে তখন চায় মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করতে। চায় স্বেচ্ছামৃত্যুর  অধিকার। পৃথিবীর কয়েকটি দেশে সেই অধিকারকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। যন্ত্রণাহীন সেই মৃত্যুপদ্ধতির নামই ইউথেনেশিয়া।।

আরও পড়ুনআমেরিকায় প্রবল শীতে নিরাশ্রয় ব্যক্তির হাতে ভারতীয় ছাত্র খুন

 

‘ইউথেনেশিয়া’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘ইউ’ এবং ‘থানাতোস’ থেকে এসেছে। ‘ইউ’ শব্দটির অর্থ সহজ এবং ‘থানাতোস’ কথাটির মানে মৃত্যু। অর্থাৎ ‘ইউথেনেশিয়া’ শব্দটির মানে দাঁড়াচ্ছে ‘সহজ মৃত্যু’। নেদারল্যান্ডস , কানাডা, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডে ইউথেনশিয়াকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান ও তার স্ত্রীর স্বেচ্ছামৃত্যু তবুও  খবরের শিরোনামে কারণ রাষ্ট্রপ্রধানদের ক্ষেত্রে এরকম একসাথে দম্পতির স্বেচ্ছামৃত্যুর ঘটনা বিরল।

উল্লেখ্য,প্রাক্তন ডাচ প্রধানমন্ত্রী কার্যকাল ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল, সেই সময়ে তিনি খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক আপিল পার্টির প্রথম নেতাও হয়েছিলেন।।

আরও পড়ুন চোপড়ার শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বিএসএফের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ, রাজ্যপালের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

About Post Author