Home » ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র

ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মামলায় ফের বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে তলব করেছিল ইডি, বিদেশী মুদ্রা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে তলব করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছিল। গত সোমবার ইডির হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পরেই তাকে তলব করা হয়েছিল। যদিও সেই তলবে তৃণমূল নেত্রী সাড়া দেননি। তার অভিযোগ, ‘এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় অনেক গোপন তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমে। যা তদন্ত চলাকালীন উচিত নয়। এটা বন্ধ হওয়া উচিত।’ইতিমধ্যেই এই দাবি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র।এবার সেই মামলার শুনানিতে মহুয়ার আর্জি খারিজ করে দিল বিচারপতি।

আরও পড়ুন। India vs England: আকাশ দীপের অভিষেক, অশ্বিনের সেঞ্চুরি, এক ঝলকে রাঁচী টেস্টের প্রথম দিন

সূত্রের খবর, সংসদে প্রশ্ন বিতর্কেই মহুয়ার বিরুদ্ধে বিদেশি মুদ্রা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই গত সপ্তাহে মহুয়াকে নোটিস পাঠিয়েছিল ইডি। ১৯ ফেব্রুয়ারি নয়া দিল্লিতে ইডির অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল মহুয়া মৈত্রের। কিন্তু, স্বভাবসিদ্ধ ভাবে ওইদিন হাজিরা দেননি। যদিও মহুয়া মৈত্র ইডির কাছে একসপ্তাহ সময় চেয়েছিল। কিন্তু, এসবের মধ্যেই সোমবার রাতে ফের মহুয়াকে নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

প্রসঙ্গত, ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত ৮ ডিসেম্বর শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন এথিক্স কমিটির রিপোর্টে মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করা হয়েছিল। এরপরই সাংসদের বাংলো খালি করার জন্য মহুয়াকে নির্দেশ পাঠাতে বলেছিল সংসদের আবাসন কমিটি। সেইমত কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন মহুয়া। এরপর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইকে তলব করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, শিল্পপতি দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং দামী উপহার সামগ্রী ঘুষ হিসেবে নিয়ে, সংসদে গৌতম আদানি এবং মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করা অভিযোগ করেছিলেন বিজেপি সংসদ নিশিকান্ত দাস। জয় অনন্ত দেহদ্রাই তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই অভিযোগ করেছিলেন বিজেপি সাংসদ। সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী তাঁর প্রাক্তন বন্ধু বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সিবিআই তাঁকে ২৫ জানুয়ারি তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য ডেকেছে।

About Post Author