স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৬ এপ্রিল: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তিন ম্যাচ আগে ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২৭৭ রান তুলেছিলেন প্যাট কামিন্সরা। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এক ইনিংসে সেই রান ছিল সর্বোচ্চ। সোমবার নিজেদের গড়া রেকর্ড নিজেরাই ভাঙল হায়দরাবাদ। ঘরের মাঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ২৮৭ রান তোলে নবাবের শহরের দল। সৌজন্যে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের নায়ক ট্রাভিস হেড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে লড়াই চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৬২ রানে থামতে হয় বেঙ্গালুরুকে। দলের হয়ে লড়াই করেও ম্যাচ জেতাতে পারলেন না বিরাট কোহলি ও দীনেশ কার্তিক। শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই হারের সম্মুখীন হতে হল তাদের।

হায়দরাবাদের পিচ ব্যাটিং সহায়ক। সেই পিচে টসে জিতেও প্রথমে ব্যাটিং না নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জন্য ব্যুমেরাং হয়। ঘরের মাঠে দাপুটে ব্যাটিং শুরু করেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা। উইল জ্যাকস, রিসি টপলিদের বিরুদ্ধে ব্যাটিং তাণ্ডব শুরু করেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক। উইল জ্যাকস, রিসি টপলিরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে থামাতে পারেননি। ৮.১ ওভারে ১০৮ রান তুলে নেন অভিষেক-হেড জুটি। টপলির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন অভিষেক। ভারতীয় ওপেনার ফেরেন ২২ বলে ৩৪ রান করে। তাতে অবশ্য দলের সমস্যা হয়নি। তিন নম্বরে নেমে হেডের সঙ্গে দলের রান এগিয়ে নিয়ে যান হেনরিখ ক্লাসেন। মাত্র ৩৯ বলে নিজের শতরান পূর্ণ করেন হেড। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ১০২ রানে থামে তার ইনিংস। ৯ টি চার ও ৮ টি ছয় আসে অস্ট্রেলিয়ার তারকা ওপেনারে ব্যাট থেকে। ১০২ রানের মধ্যে ৮৪ রান বাউন্ডারি মেরেই করলেন হেড। মারকাটারি ইনিংস খেললেন ক্লাসেনও। ২ টি চার ও ৭ টি ছয়ের সাহায্যে করলেন ৩১ বলে ৬৭ রান।পরে আইডেন মার্করাম ও আব্দুল সামাদও চালিয়ে খেলে দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১৭ বলে ৩২ রানে অপরাজিত রইলেন মার্করাম। সামাদ করলেন ১০ বলে ৩৭ রান।
For smashing the 4th fastest ton in the history of IPL, Travis Head receives the Player of the Match award ????
Scorecard ▶️ https://t.co/OOJP7G9bLr#TATAIPL | #RCBvSRH pic.twitter.com/0TPxWhPg1T
— IndianPremierLeague (@IPL) April 15, 2024
আরও পড়ুন: Mohun Bagan: মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, দল চ্যাম্পিয়নের জন্য খেলে দাবি দেবাশিসের
বড় রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি আরসিবির দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ২০ বলে ৪২ রান করে আউট হন কোহলি। ৬ টি চার ও ২ টি ছয় মারেন তিনি। পিছিয়ে ছিলেন না ডুপ্লেসিও। তার ব্যাট থেকে এল ২৮ বলে ৬২ রান। ৭ টি চার ও ৪ টি ছয় মারেন আরসিবি অধিনায়ক। শুরুটা ভাল করেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেন না মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। ছ’নম্বরে ব্যাট করতে নেমে লড়াই করলেন কার্তিক। কিন্তু উইকেটের অন্য প্রান্তে সঙ্গী পেলেন না। মাত্র ২৩ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন। শেষ পর্যন্ত কার্তিক করলেন ৩৫ বলে ৮৩ রান। তার ইনিংস সাজালেন ৫টি চার এবং ৭টি ছয়ে। মহিপাল লোমরোর করেন ১১ বলে ১৯। কিছুটা চেষ্টা করলেন অনুজ রাওয়াতও। তার ব্যাট থেকে এল ১৪ বলে ২৫ রান। তাতে অবশ্য লাভ কিছু হল না। হায়দরাবাদের হয়ে ৪৩ রানে ৩ উইকেট নিলেন অধিনায়ক কামিন্স। ৪৬ রানে ২ উইকেট পেলেন মায়াঙ্ক মরকান্ডে। ৪৭ রানে ১ উইকেট টি নটরাজনের।


More Stories
ছয় বিদেশীতে মোহনবাগান প্রস্তুত, জেরবার ইস্টবেঙ্গল, কবে আসছেন এফিয়ং?
সিরিজের মাঝপথে পাকিস্তানের ৭ প্লেয়ার ছাঁটাই
ব্রাজিল ম্যাচের ভারতীয় দল ঘোষিত