Home » মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা হরিয়ানায়, বৈষ্ণদেবী যাওয়ার পথে ৭ তীর্থযাত্রীর মৃত্যু, আহত ২০

মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা হরিয়ানায়, বৈষ্ণদেবী যাওয়ার পথে ৭ তীর্থযাত্রীর মৃত্যু, আহত ২০

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ মেঃ মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা হরিয়ানায়। শুক্রবার ভোরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বৈষ্ণদেবীগামী বাস। বাসটিতে থাকা সাত তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ছয় মাসের একটি শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছেন ২০ জনেরও বেশি। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আম্বালা-দিল্লি-জম্মু জাতীয় সড়কে শুক্রবার ভোরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এদিন বাসটি মহদায় পৌঁছতেই হঠাৎ একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার সময় বাস থেকে ছিটকে রাস্তাতে পড়ে যান অনেকে। কয়েকজন যাত্রী আবার বাসের মধ্যেই আটকে পড়েন। বাসের একটি দিক সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে চুড়ে যায়। বাসের মধ্যে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেন। চিৎকার শুনে এগিয়ে আসনে পথচারীরা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশও। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আহতদের উদ্ধার করে ক্যান্টনমেন্ট সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  টুকরো টুকরো করা হয়েছিল দেহ, বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক ‘রহস্যময়ী’

ট্রাভেলারটিতে মোট ২৬ জন তীর্থযাত্রী ছিলেন। ইতিমধ্যেই মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আহত ধীরজ নামে এক ব্যক্তি জানান, ২৩ মে সন্ধ্যায় বৈষ্ণদেবীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন তাঁরা।প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা হয় হরিয়ানার নুহতে। হরিয়ানায় যাত্রীবোঝাই চলন্ত বাসে ভয়াবহ আগুন লেগে যায়। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ হয় আট যাত্রী। গুরুতর আহত হয়েছিলেন ২০ জনেরও বেশি। জানা গিয়েছে মথুরা ও বৃন্দাবন ঘুরে তীর্থযাত্রীদের বাসটিতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। শিশু ও মহিলা সহ বাসটিতে ৬০ জন যাত্রী ছিল। হরিয়ানার নুহ জেলার তাওয়াদু শহরের কাছে কুণ্ডলি মানেসার পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়েতে বাসটি পৌছতেই হঠাৎ আগুন লেগে যায় সেটিতে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই গ্রামবাসীরা চিৎকার করে বাস চালককে বাস থামাতে বললেও চালক তা শোনেননি। নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে বাস যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। এরপর এক যুবক বাইকে করে বাসটিকে ধাওয়া করে থামায় সেটিকে।কিছুক্ষণের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় আটজনের। ২০ জনের বেশি দগ্ধ হয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে প্রথমে গ্রামবাসীরাই আগুন নেভানোর কাজে হাট লাগান। এমনকী তারা বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করারও চেষ্টা করেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলকেও। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় দমকল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি। আহতদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল। নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে, দুর্ঘটনায় মৃত ও আহতরা মূলত চণ্ডীগড় ও পঞ্জাবের বাসিন্দা।

#বাসদুর্ঘটনাহরিয়ানায়

#TragicbusaccidentinHaryana

#Latestbengalinews

About Post Author