সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ মেঃ আশ্রমে চুরির অপবাদে স্কুল পড়ুয়াকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ আশ্রমের মাতাজির বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুরের উত্তরভাগে। মৃত কিশোরের নাম পবিত্র সর্দার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুদিন আগেই পবিত্র মামার বাড়িতে ঘুরতে এসেছিল। তার মামাবাড়ির পাশেই রয়েছে একটি আশ্রম। বুধবার সকালে হাঁটতে হাঁটতে সেই আশ্রমে ঢুকে পড়েছিল সে। এদিন রাতে সেই আশ্রমেই ফের তাঁকে ডেকে নিয়ে যায় আশ্রমের আবাসিকরা।
তারপর দীর্ঘক্ষণ ধরে তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজ শুরু করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা আজ, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালে আশ্রমের ভিতর তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ভাগ্নের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেই পবিত্রর মামা চিৎকার শুরু করলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পবিত্রর মামার চিৎকার চেঁচামেচিতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর পবিত্রকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, চুরির অপবাদে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই আশ্রমে অসামাজিক কাজকর্ম হয়। হয়তো কোনওভাবে পবিত্র তা দেখে ফেলায় খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পবিত্রর মা বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। ওই আশ্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও ক্যামেরার সামনে তাঁরা কেউ মুখ খুলতে চাননি। এ বিষয়ে আশ্রমের মাতাজিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানিয়েছেন, ‘আশ্রমে ঢুকে পবিত্র নাকি বিভিন্ন জিনিস চুরি করে। এই অভিযোগে তাকে আশ্রমে ডেকে পাঠানো হয়। ’
#TheAshramInBaruipur
#Latestbengalinews
#Trendingnews


More Stories
ব্যাঙ্ক গিয়ে নিখোঁজ, ক্লাব থেকে উদ্ধার গৃহবধূর দেহ
বারুইপুর : জমা-খরচ, দৈব বিচার এবং এনকাউন্টার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিক্রিয়া কী?
বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’: কর্মের ফল নাকি “সকালে জমা, বিকেলে খরচ!”