সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ অগাস্ট : ইসরায়েল – হামাস যুদ্ধে প্রাণহানি বেড়েই চলেছে।ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, পূর্ব খান ইউনিসের আবসান আল-কাবিরা এলাকায় একটি বাড়িতে রাতভর ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ইজরায়েল – প্যালেস্টাইন সমস্যা ঘিরে ২৭ অক্টোবর থেকে ইজরায়েল ও হামাসের যুদ্ধে মৃত্যুর সংখ্যা ছুঁয়েছে ৪১ হাজার।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে যে তারা হামাসের সশস্ত্র শাখার একটি বিবৃতি তদন্ত করে দেখছে যা গাজায় একজন ইসরায়েলি বন্দীর মৃত্যু এবং একটি পৃথক ঘটনায় অন্য দু’জনের আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে।

সবমিলিয়ে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে গাজা উপত্যকায় মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ছুঁয়েছে। মৃতদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার ইজরায়েলি ও বাদবাকি প্রায় সবাই প্যালেস্টাইনের। মৃতদের মধ্যে ১১৩ জন সাংবাদিক রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন ইসরায়েলের নাগরিক এবং তিনজন লেবাননের নাগরিক।
২০২৪ সালের ১৯ জুন গাঁজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যকে উদ্ধৃত করে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ের সমন্বয় কার্যালয়। এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় হামাসের আক্রমণ এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর থেকে গাজা উপত্যকায় মৃত্যু বাড়ছে। প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল এই মৃত্যু সংখ্যা না মানলেও ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এই পরিসংখ্যানকে মান্যতা দিয়েছে।
ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে ২০০৮ সালের পরে ইসরাইল প্যালেস্তাইনের সমস্যা নিয়ে চলা পঞ্চম যুদ্ধের সূত্রপাত হয় ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে।এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপট প্রস্তুত হয় যখন হামাসের নেতৃত্বাধীন জঙ্গি গোষ্ঠী ইসরায়েলের উপর হতচকিত করে দেওয়া আক্রমণ শানায়। একটি রকেট ব্যারেজ এবং কয়েক হাজার জঙ্গি গাজা-ইসরায়েলের বাধা অতিক্রম করে ইসরায়েলি বেসামরিক সম্প্রদায় এবং সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করে। এই হামলার সময়, ৮১৫ জন বেসামরিক নাগরিক সহ ১১৩৯ জন ইসরায়েলি এবং বিদেশী নাগরিক নিহত হয়। যুদ্ধবন্দী হয় বেশ কিছু মানুষ।
হামাস হামলার কারণ হিসেবে জানিয়েছিল হামাস বলেছে যে ইসরায়েলের ক্রমাগত দখলদারি , গাজা অবরোধ এবং নিজেদের এলাকা সম্প্রসারণ, আল-আকসা মসজিদ এবং প্যালেস্টাইনের সাধারণ দুর্দশার প্রতিক্রিয়ায় তাদের এই হামলা।
এই ঘটনার কুড়ি দিনের মধ্যেই ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ২৭ তারিখ থেকে ইজরায়েল পাল্টা আক্রমণ শানায়। হামাসকে আক্রমণ ও যুদ্ধবন্দিদের মুক্ত করা উদ্দেশ্য জানিয়ে শুরু হয় আক্রমণ। কিন্তু এই আক্রমণের তীব্রতা ছড়িয়ে পড়ে স্কুল কলেজ স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আক্রমণের মধ্যে। অক্টোবর মাসের ২৭ তারিখ থেকে শিশু ও নারীসহ ৩৯ হাজারের বেশি প্যালেস্টাইনের মানুষ নিহত হয়েছেন। মাঝেমধ্যে হামাস আক্রমণ চালানোর ফলে ইজরায়েলের সহস্রাধিক মানুষ মারা গেলে প্যালেস্টাইনের ও হামাসের ক্ষয়ক্ষতি তীব্র প্রবল থেকে প্রবলতর রূপ নিয়েছে। ৯ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে মৃত্যু মিছিল দীর্ঘতর হয়ে চলেছে।।
আরও পড়ুন RG Kar Hospital student death : মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলন : “ওদের ভেতরেই কেউ আছে” -ওরা কারা?


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক