স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৩১ অগস্ট: ভারত তথা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ফুটবল টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপ। ইতিমধ্যে প্রতিযোগিতার ১৩৩ তম সংস্করন পেয়ে গিয়েছে দুই ফাইনালিস্টকে। আঠারোর লক্ষ্যে শনিবারের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে কলকাতার মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি। বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিকেল ৫:৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে উন্মাদনা বাড়ছে সবুজ মেরুন সমর্থকদের মধ্যে।
আরও পড়ুন স্টার্লিং আর্সেনালে, স্যাঞ্চো চেলসিতে, দলবদলের শেষদিনেও একাধিক চমক
ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে মোহনবাগানের নাম। শতবর্ষের প্রাচীন এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সব থেকে সফল দল কলকাতার সবুজ মেরুন। মোট ১৭ বারের ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্যারিনার্সরা। গতবারেও কাপ হাতছাড়া হয়নি। এবার প্রতিযোগিতা জিতে ১৮ বারের মতো ট্রফিতে নিজেরদের নাম খোদাই করাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নামবে তারা। এদিকে ডুরান্ড কাপের ফাইনালের সঙ্গে পরিচিতি পর্যন্ত নেই বিপক্ষের। প্রথমবার প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠেছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। এমনিতেই ফাইনালের বাড়তি চাপ, তার উপরে সতেরো বারের বিজয়ী মোহনবাগানের মতো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরী করা সহজ হবে হাইল্যান্ডার্সদের জন্য। এমনটাই মত ফুটবল মহলের। যদিও নতুন ইতাহাস লেখার আশা নিয়েই মাঠে নামবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন নর্থইস্ট কোচ।

ফাইনালে দুই দলের এমন কিছু তারকা রয়েছেন, যারা ম্যাচের রং বদলে দিতে প্রস্তুত। মোহনবাগান দলে বিশেষ করে তারকার অভাব নেই। ফাইনালে যে কেউ হয়ে উঠতে পারেন কোচ মোলিনার তুরুপের তাস। প্রথম যার দিকে চোখ থাকবে তিনি দিমিত্রি পেত্রাতোস। এই অজি ফুটবলারকে বলা হয় বড় ম্যাচের ফুটবলার। গতবারও ফাইনালে তাঁর করা গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল মোহনবাগান। পাশাপাশি রয়েছেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট ও জেসন কামিংস। প্রথম জন গোলের বল সাজিয়ে দিতে ওস্তাদ। তাঁর পায়ে বল পড়লেই আতঙ্ক সৃষ্টি হয় বিপক্ষের বক্সে। কামিংস সুযোগ সন্ধানী। বিপক্ষের গোলের কাছে তিনি পৌঁছে যান সুযোগ পেলেই। দুই ভারতীয় উইঙ্গার লেস্টন ও মনবীরও গোটা প্রতিযোগিতায় ভাল খেলেছেন।

এছাড়াও রয়েছেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। গত দুটি নক আউট ম্যাচ কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমি ফাইনালে মোহনবাগান পেনাল্টি শ্যুটআউটে জিতেছে। জয়ের পিছনে কারিগর সেই গোলরক্ষক বিশালই। যদিও সবুজ মেরুন দলে চিন্তা রয়েছে রক্ষণকে নিয়ে। দুই বিদেশী ফুটবলার এখনও দলের আস্থা অর্জন করতে পারেননি। পাশাপাশি দলে কোনও ভাল মানের স্বদেশী ডিফেন্ডার নেই। ফলে প্রতি ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে গোল হজম করতে হচ্ছে মোহনবাগানকে। তবে ঘরের মাঠে খেলা ও মাঠে সমর্থকদের উপস্থিতি যে সবুজ মেরুন শিবিরকে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
#ডুরান্ডকাপফাইনাল
#DurandCupFinal
#YuvaBharti
#MohunBaganSuperGiants
#NorthEastUnitedFC


More Stories
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার