Home » ‘ছাত্রনেতা’ সায়ন লাহিড়ীর মুক্তির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য

‘ছাত্রনেতা’ সায়ন লাহিড়ীর মুক্তির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ আগস্টঃ আরজিকর ঘটনার প্রতিবাদে গত ২৭ আগস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই নবান্ন অভিযানে অশান্তির ঘটনায় ছাত্র সংগঠনের অন্যতম আহ্বায়ক ধৃত সায়ন লাহিড়ীকে শনিবার দুপুরের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ মত এদিন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট থেকে ছাড়া পান ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের’ অন্যতম আহ্বায়ক। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছিলেন, তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এবার উচ্চ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য।

আরও পড়ুন আঠারোর লক্ষ্যে নামছে মোহনবাগান, ইতিহাস লিখতে চায় নর্থ ইস্ট, শনিবারের ডুরান্ড ফাইনালে এগিয়ে কোন দল?

কেন সায়নকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তা নিয়ে শুক্রবারই বিচারপতি সিংহের একক বেঞ্চে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। এরপরই রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, পুলিশের অনুমতি ছাড়াই নবান্ন অভিযান কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন সায়ন। ওই কর্মসূচি কোনও ভাবেই শান্তিপূর্ণ ছিল না। তবে বিচারপতি সিনহা প্রশ্ন ছিল, সায়ন কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কি না। জবাবে রাজ্য জানিয়েছিল, তিনি ছাত্রনেতা। এ কথা শুনে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘ তাহলে একজন ছাত্রনেতা কে কী ভাবে ‘প্রভাবশালী’ বলা হচ্ছে? তিনি কি এতই জনপ্রিয় যে, মিছিলের ডাক দিল আর হাজার হাজার লোক জড়ো হয়ে গেল? সায়ন কি সক্রিয় রাজনীতিতে রয়েছেন?’ তবে রাজ্যের যুক্তি ছিল, সায়ন নবান্ন অভিযানের মিছিলে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রেখেছিলেন।


এর আগে গত ২৬ আগস্ট নবান্ন অভিযান নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে কলকাতা পুলিশ। ওই বৈঠকে কলকাতা পুলিশের এডিজি মনোজ ভার্মা বলেন,‘ নবান্ন সংরক্ষিত জায়গা। নবান্ন চত্বরে কোনও রকম কর্মসূচির জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয়। তবে ২৭ তারিখের সেই অভিযানের জন্য কেউ পুলিশের কাছে অনুমতিই চায়নি। তাই এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেআইনি।’

অন্যদিকে, এদিনের বৈঠকে এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার জানান, ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজের নাম করে এই অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এই নামে কোনও সংগঠন নেই। আমরা জানতে পেরেছি, সংগ্রামী যৌথমঞ্চও নাকি এই ছাত্রসমাজের অভিযানে যুক্ত হয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। তারাও আমাদের কিছু জানায়নি।’

About Post Author