Home » আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ দুই ভেন্ডারের বাড়িতে ইডির হানা

আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ দুই ভেন্ডারের বাড়িতে ইডির হানা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ সেপ্টেম্বরঃ আরজিকর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমেছে সিবিআই। আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সন্দীপের মতো বিপ্লব সিংকে আগেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী বিপ্লব সিং সন্দীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ‘মা তারা ট্রেডার্স’ কোম্পানির মালিক বিপ্লব সিং-এর ওই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আরজিকল হাসপাতালে মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট সাপ্লাই করতো। আরজিকল মেডিকেল কলেজে ইন্সট্রুমেন্ট সাপ্লাই এর ক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই তদন্তে নেমেছে সিবিআই। এবার আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ধৃত বিপ্লব সিংহের সাঁকরাইল হাটগাছার বাড়িতে হানা দিল ইডি। শনিবার সাত সকালে ইডির ছয় সদস্যের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে বিপ্লবের বাড়িতে হানা দেন। এর আগে গত ২৫ আগস্ট সিবিআই এর একটি দল তাঁর বাড়িতে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর নথি বাজেয়াপ্ত করে। এরপর কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয় বিপ্লব ও সুমন।

আরও পড়ুন   Musheer Khan: দলীপ ট্রফির অভিষেকেই অনবদ্য সরফরাজের ভাই মুশির, ভাঙলেন সচিনের ৩৩ বছরের পুরনো নজির

প্রসঙ্গত, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরই হাসপাতালের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই আরজিকরে দুর্নীতির তদন্তে এফআইআর করে সিবিআই। জোরকদমে শুরু হয়ে যায় তল্লাশি। সেই সূত্রেই আদালতের নির্দেশে এর
শহরজুড়ে অভিযানে নেমেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। অভিযোগ, স্বাস্থ্যভবন ও কলেজ কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই ফুড স্টল, কাফে, ক্যান্টিন, সুলভ কমপ্লেক্স তৈরির জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়। তিনজন বিশেষ ব্যবসায়ীই এই প্রত্যেকটি ‘বেআইনি’ টেন্ডার পান। তাঁদের একেকজনকে কয়েক কোটি টাকার বরাত দেওয়া হয়। ফিনান্স ও অ্যাকাউন্ট অফিসারদের কিছু না জানিয়েই এই বরাতগুলি দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ ও অন্যান্য কাজ করানো হয় পূর্ত দফতরকে না জানিয়েই। ডাক্তারি শিক্ষার তহবিল নয়ছয়ের অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগ, পুরসভার বদলে হাসপাতালের কর্তারা পার্কিং থেকে টাকা আদায় করে তা সরিয়ে দেন। চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে। এক স্বাস্থ্যকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাহিদামতো রদবদলেরও অভিযোগ উঠেছে। বিক্রেতাদের কাছ থেকেও কুড়ি শতাংশ টাকা তোলা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। করোনার সময়ে কোভিডের জন্য আসা রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে আরামদায়ক চেয়ার, সোফা, ডাইনিং টেবিল, ফ্রিজ ও আরও অনেক কিছু কেনা হয়। সরকারি টাকায় কেনা বহু জিনিসও এমন নার্সিংহোমে যেত, যার আসল মালিক স্বাস্থ্যকর্তা। এমনকী, ভেন্ডারদের সাহায্যে এক স্বাস্থ্যকর্তার বাগানবাড়ি সাজানো হত ও তা না করলে তাঁরা হুমকির মুখে পড়তেন এমনও অভিযোগ উঠে এসেছে। এখানেই শেষ নয়, একদিন অন্তর হাসপাতালের ব্যবহার হয়ে যাওয়া সিরিঞ্জ, স্যালাইনের বোতল, রবার গ্লাভস, হ্যান্ড গ্লাভস মিলিয়ে কয়েকশো বর্জ্য বের হতো। তাতেও নাকি দুর্নীতি করতেন সন্দীপ। একটা ব়্যাকেট বানিয়ে ফেলেছিলেন, তাতে যুক্ত ছিলেন দু’জন বাংলাদেশিও। এসব দুর্নীতির নথিই দ্রুত সংগ্রহ করতে চাইছে ইডি এবং সিবিআই। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তারও পর্দাফাঁস করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

#RGkarHospital   

#RGkarPrincipalSandeepGhosh    

#RGKARDoctorDeath    

#Latestbengalinews 

#ChiefJusticeDYChandrachud 

#SupremeCourt 

#RGKarHospitalfinancialcorruptioncase

About Post Author