সময় কলকাতা ডেস্ক:- দিল্লিতে বিরাট জয়ের পর আম আদমি পার্টিকে ‘বেইমান’ বলে তুলোধোনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ২৭ বছর পর রাজধানীতে গেরুয়া পতাকা পুঁতে মোদির বার্তা, “শর্টকাটের রাজনীতি শর্ট সার্কিটের কবলে।” পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক জয়ের জন্য দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, সবকা সাথ, সবকা বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবে বিজেপি সরকার।
আম আদমি পার্টিকে বেইমান বলে তোপ মোদির
আম আদমি পার্টিকে বেইমান বলে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, “আপদা এসেছিল এরা রাজনীতি বদলে দেবে কিন্তু দেখা গেল এরা কট্টর বেইমান। যারা দুর্নীতি দূর করার বার্তা দিয়ে রাজনীতিতে এসেছিল তাঁরা নিজেরাই দুর্নীতিতে পাকে ডুবেছে। ভাঙা রাস্তা, নোংরার গাদা, বিষাক্ত বাতাসের মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিল দিল্লি। কথা দিচ্ছি, আমরা দিল্লিকে আধুনিক শহর হিসেবে তৈরি করব।” যমুনা প্রসঙ্গেও এদিন মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমাদের শাস্ত্রে রয়েছে যমুনার কথা। সেই যমুনাকে এতদিন ‘আপদা’ অপমান করেছে। আমি কথা দিচ্ছি দিল্লি শহরের নয়া পরিচয় হয়ে উঠবে যমুনা।”
ফলাফল
রাজধানীতে গেরুয়া সুনামিতে ভেসে গিয়েছে ঝাঁটা। ৭০ আসনের দিল্লিতে ৪৮টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মাত্র ২২ আসনে পেয়েছে আপ। ধরাশায়ী হয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়ার মতো ভিভিআইপি মুখ। বিজেপির এই বিরাট সাফল্যের পর সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘আজ দিল্লিবাসীর অত্যন্ত উৎসাহিত ও স্বস্তিতে রয়েছেন। উৎসাহ হল জয়ের আনন্দ ও স্বস্তি দিল্লিকে আপদা মুক্ত করার। দিল্লির মানুষ আমাদের হৃদয় খুলে আশীর্বাদ করেছেন। এই বিশ্বাসের দাম ডবল ইঞ্জিনের সরকার দেবে।’
আপ পার্টিকে তোপ দেগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দিল্লিতে আড়ম্বর, অরাজকতা ও আপদার রাজনীতির হার হয়েছে। জনাদেশে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে রাজনীতিতে শর্টকার্ট ও মিথ্যার কোনও জায়গা নেই। শর্টকাটের রাজনীতিকে শর্টসার্কিট করে দিয়েছে জনতা। হরিয়ানার পর মহারাষ্ট্রে নয়া রেকর্ড গড়েছি এবার দিল্লিতেও ইতিহাস গড়েছি আমরা।” দিল্লির মহিলাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ওড়িশা, হরিয়ানা বা মহারাষ্ট্র সর্বত্র নারীশক্তি আমাদের আশীর্বাদ করেছে। আমরা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা পালন করেছি। দিল্লিতেও প্রতিশ্রুতি পূরণ করব। এটা মোদির গ্যারান্টি।” শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী গ্যারান্টি দেন, ”দিল্লির প্রথম অধিবেশনে সিএজি রিপোর্ট পেশ করা হবে। যারা দুর্নীতি করেছে তাদের সব ফেরত দিতে হবে।”


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের