সময় কলকাতা ডেস্ক:- পাকিস্তানের হামলা রুখতে ভারত বেশি সময় লাগায়নি। পড়শি দেশের হাতিয়ার তুর্কি নির্মিত ড্রোন এবং চিনের মিসাইল কয়েক মিনিটেই হার মেনেছিল ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে। এটা দেখেই কি অনুপ্রাণিত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? কারণ, আমেরিকার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মজবুত করতে বিরাট ঘোষণা করলেন তিনি। বিপুল অর্থ বিনিয়োগে তৈরি করা হবে ‘গোল্ডেন ডোম’। এটি আদতে মিসাইল শিল্ড সিস্টেম যা বাঁচাবে আমেরিকাকে।
এতদিন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে এককভাবে চর্চায় ছিল ইজরায়েল। তাদের ‘আয়রন ডোম’ বিশ্বজুড়ে বাহবা কুড়িয়েছে। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ভারতে আকাশ সিস্টেম দেখে সকলেই চমকে গিয়েছে। এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমই যথেষ্ট ছিল পাকিস্তানের বড় হামলা আটকানোর জন্য। ৬০০-র বেশি ড্রোন হামলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছিল পাকিস্তান।
এখন আমেরিকাও তার আকাশ আরও সুরক্ষিত করতে উদ্যোগী হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে তৈরি করা হবে ‘গোল্ডেন ডোম’। ইতিমধ্যে এর জন্য ২৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আমেরিকাবাসীর জন্য ট্রাম্পের বার্তা, ক্ষমতায় আসার পরই বলেছিলেন উন্নতমানের মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করা হবে। সেই কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করতে কমপক্ষে ৩ বছর সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের ‘আকাশ’ বা ইজরায়েলের ‘আয়রন ডোম’-এর থেকে মার্কিন এই প্রকল্পের ব্যয় অনেক বেশি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘গোল্ডেন ডোম’-এ অন্তর্ভুক্ত সব কিছুই আমেরিকায় তৈরি করা হবে এবং তাঁর বিশ্বাস ৩ বছর বললেও তার থেকে কম সময়ে এটি তৈরি হয়ে যাবে।
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি এও বলেন, অন্য যে কোনও দেশ কেন, মহাকাশ থেকেও যদি কেউ আমেরিকায় মিসাইল ছোড়ে সেটাও এই প্রতিরক্ষা সিস্টেম ধরে ফেলবে এবং তা ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।
উপগ্রহ-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক তৈরি করে ক্ষেপণাস্ত্র আটকানোই মূল লক্ষ্য ‘গোল্ডেন ডোম’-এর। ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে তাকে ট্র্যাক করার জন্য প্রচুর স্যাটেলাইট এই সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


More Stories
লেনিনের মৃত্যু : বিতর্ক এবং বাস্তব
ভিড় সীমান্তে, ভিড় হোল্ডিং সেন্টারে
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা