সময় কলকাতা ডেস্ক:- নির্দিষ্ট সময়ের আটদিন আগেই কেরালায় প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। কথা ছিল ২৭ মে ঢুকবে, তার তিন দিন আগেই মৌসুমী বায়ু ঢুকল এ বছর। রাজ্যে শেষবার এত তাড়াতাড়ি বর্ষা এসেছিল ২০০৯ এবং ২০০১ সালে। ২৯ মে পর্যন্ত কেরালা, উপকূলীয় কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার।
দক্ষিণ কোঙ্কন উপকূলের কাছে পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। ২৪শে মে ভোরে রত্নগিরি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেটি ছিল। এটি পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবারই রত্নগিরি এবং দাপোলির মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রের একাধিক অঞ্চলেও খুব ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমডি। এছাড়াও, গুজরাটের কিছু অংশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
কেরালায় বর্ষার আগমনের স্বাভাবিক তারিখ ১ জুন। তবে, সর্বপ্রথম বর্ষার তাড়াতাড়ি আসার রেকর্ড ছিল ১৯১৮ সালের ১১ মে। অন্যদিকে, দেরিতে আসার রেকর্ড ছিল ১৯৭২ সালে। ওই বছর ১৮ জুন বর্ষা শুরু হয়েছিল। ২০১৬ সালের ৯ জুন বর্ষা ঢুকেছিল কেরালায়। গত ২৫ বছরে সেটাই ছিল দেরিতে আসার রেকর্ড। শনিবার কেরালা, উপকূলীয় এলাকা এবং দক্ষিণ কর্নাটক, কোঙ্কন ও গোয়ায় বিচ্ছিন্নভাবে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর।
২৬ মে পর্যন্ত কেরালা এবং উপকূলীয় কর্নাটকে বিচ্ছিন্নভাবে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা এবং অন্ধ্রপ্রদেশেও আগামী পাঁচ দিন বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত এবং বজ্রপাত-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। মৌসুমী বায়ুর আগমনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নিম্নচাপ এবং আসতে থাকা মৌসুমী বায়ু, এই দুই কারণে গত দু’ দিনে কেরালার বহু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর