Home » ‘দেশের মানুষের জানার অধিকার রয়েছে’ অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ অধিবেশনের দাবি তৃণমূলের

‘দেশের মানুষের জানার অধিকার রয়েছে’ অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ অধিবেশনের দাবি তৃণমূলের

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বারবার সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। ইন্টেলিজেন্স থাকবে না কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দিষ্ট পরিকাঠামো আছে। সবটাই কি সম্পূর্ণ ব্যর্থ? যারা হামলা করল তাদের এখন ধরা যায়নি। তাই এই ইস্যুতে সংসদে দ্রুত বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছে তৃণমূল। অপারেশন সিঁদুরে কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিরোধী দলগুলিও। শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজোট থাকার বার্তা দিয়েছিল। এবার এই অপারেশন সিঁদুর নিয়েই আলোচনার দাবিতে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। কীভাবে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা হল? কেন গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে এই বিষয়ে আগে থেকে কোনও খবর ছিল না? এই ধরনের চোখা চোখা প্রশ্ন কেন্দ্রকে করতে চাইছে তৃণমূল। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিশেষ অধিবেশনের দাবি জানান কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাগরিকা ঘোষরা।

বুধবার তৃণমূলের সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার ও সাগরিকা ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি জানান, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কেন্দ্রকে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে হবে। দেশের জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

তাঁদের দাবি, জুনের মধ্যে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে হবে। বাদল অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত হবে না।

১৯৭১ সালে যুদ্ধের পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা করেছিলেন। কার্গিল যুদ্ধের পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীও বিশেষ অধিবেশন ডেকেছিলেন। এবার পাকিস্তানের সঙ্গে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তাও যুদ্ধের থেকে কম কিছু নয়। তাই অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা চাইছে তৃণমূল।

তাদের বক্তব্য, সর্বদলের সর্বসম্মত সমর্থন পেতে সংসদের অধিবেশন সর্বোচ্চ ক্ষেত্র। কী ঘটেছে তা জানার অধিকার দেশবাসীর আছে।

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে প্রচার করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূলের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে রাজনীতি রয়েছে। বিজেপি যা করছে, তা কোনওভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক নাটক করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বিশেষ অধিবেশনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠিও দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। গত সপ্তাহেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় সংসদীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফেরার পরে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি তুলেছিলেন।

তাঁর বক্তব্য ছিল, এ বিষয়ে কী কী ঘটছে, সেই ঘটনা পরম্পরা সবার আগে জানার অধিকার রয়েছে দেশবাসীর।

তাই সংসদের বিশেষ অধিবেশনের মাধ্যমে তা সকলের সামনে আনা হোক। তারও আগে, অপারেশন সিঁদুরের পরপরই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়গেও এই বিষয়টি নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরব হয়েছিলেন। এবার সব প্রশ্নের উত্তর পেতে বিশেষ অধিবেশনের দাবিতে সরব তৃণমূল কংগ্রেস।

About Post Author