সময় কলকাতা ডেস্ক:- মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। দুর্যোগের উত্তরাখণ্ডে হড়পা বানে ভেসে গেল সেনা ক্যাম্প। নিখোঁজ অন্তত ১০ জওয়ান। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা ক্ষীরগঙ্গা নদীর অববাহিকা অঞ্চলের ধারালি গ্রামে হড়পা বান আসে। ভয়ংকর প্রকৃতিক বিপর্যয়ের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, জলের তোড়ে যাচ্ছে বাড়ি, দোকান।
জানা গিয়েছে, হড়পা বানে বহু বাড়িঘর তো বটেই, গ্রামে থাকা অন্তত ২০-২৫টি হোটেল এবং হোমস্টে ভেসে গিয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টির জলে উপচে পড়ে ক্ষীরগঙ্গা নদী। এক সময় পাহাড় থেকে নেমে আসা নদীর জলের তোড়ে ভেসে যায় দুই পাড়। তাতেই কমপক্ষে ৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
দুর্যোগের খবর পাওয়ার পরেই উদ্ধারকাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রাজ্য এবং জতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। রিলিফ অপারেশনের তরফে বলা হয়েছে, নিঃস্বার্থভাবে দেশের সেবা করতে সবসময় প্রস্তুত জওয়ানরা। এটাই ভারতীয় সেনার প্রকৃত স্পিরিট।
সেনার তরফে বলা হয়েছে, ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যে ১৫০ জওয়ান ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিপর্যস্ত নাগরিকদের সবরকম সাহায্য করতে দায়বদ্ধ ভারতীয় সেনা।
উত্তরাখণ্ডে গত কিছুদিন ধরেই ভারী বৃষ্টি চলছে। তার জেরে ফুঁসছে রাজ্যের অধিকাংশ নদী। হরিদ্বারে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা। গতকালও দুর্যোগে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় একাধিক দোকান ভেঙে পড়েছে। ভারী বৃষ্টির জেরে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলের তলায় চলে গিয়েছে।
এর মধ্যেই উত্তরকাশীতে নেমে এল নতুন বিপর্যয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। আপাতত কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। হড়পা বানে এই ক্ষয়ক্ষতিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ধামি। তাঁর সাথে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!