সময় কলকাতা ডেস্ক: কোন জিনিসই ফেলে দেওয়ার নয়,বুদ্ধি থাকলে যে কোনো জিনিস দিয়ে উপার্জনের উপায় বের করে নেওয়া যেতে পারে তার উদাহরণ রাখল আমডাঙার আরখালি, রফিপুর, তালসা সহ বিভিন্ন গ্রামের চাষিরা।চাষীদের ফেলে দেওয়া বিভিন্ন সবজির গোঁড়া রাস্তার ধারের বিভিন্ন ধরনের বর্ষাকালীন আগাছা গাছের পাতা বুনো আমড়ার আঁটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে শুকনো ফুলদানি। সেই শুকনো ফুলদানি ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে স্বনির্ভর শতাধিক পরিবার।

আমডাঙার আরখালি, রফিপুর, তালসা সহ বিভিন্ন গ্রামের মহিলারা ফুলকপি বাধাকপির গোঁড়া, শুকনো বেগুন গাছ পেঁপে গাছ গম গাছ সরষে গাছ কাশফুল বুনো আমড়ার আঁটি, বট অশ্বত্থ গাছের পাতা, বর্ষাকালে রাস্তার ধারে বিভিন্ন ধরনের আগাছা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে গরম জলে ফুটিয়ে, রোদে শুকিয়ে নানা রকম রং করে তার দিয়ে তৈরি করছে বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফুলদানি।

কলকাতা সহ রাজ্যের দেশ ও বিদেশের বাজারে এই শুকনো ফুলদানির কদর বাড়ছে হু হু করে। আমডাঙার বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক পুরুষ ও মহিলারা এই ভাবেই উপার্জনের পথ বেছে নিয়েছে। আগে ফুলকপি, বাঁধাকপি তুলে নেওয়ার পর গোঁড়াগুলি পুড়িয়ে দেওয়া হত কিংবা অনেকে আবার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করত। এখন চাষীদের সেই ফেলে দেওয়া বিভিন্ন সবজির গোঁড়া নষ্ট না করে তা সংগ্রহ করে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফুলদানি। আর এই ফুলদানি রাজ্য দেশ ও বিদেশের বাজারে এক্সপোর্ট করে স্বনির্ভর হচ্ছে আমডাঙার শতাধিক পরিবার।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী