সুদীপ ঘোষ, বারাসাত, সময় কলকাতা :
পঞ্চনদীর দেশ জয়ের পরে লক্ষ্য বঙ্গবিজয়। পাঞ্জাবের জয়ে থেমে না থেকে এই রাজ্যেও দিল্লির মডেলে তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে নিজেদের তুলে ধরে দ্রুত শক্তি বাড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দুর্নীতিমুক্ত শাসন গড়ার লক্ষ্যে আমআদমি পার্টি পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনাকে পাখির চোখ করেছে ইতিমধ্যেই।ফলশ্রুতি,পাঞ্জাবের সাফল্যের পরে আপ ঝাঁপিয়েছে বাংলায় নিজেদের জনসংযোগ বাড়াতে। পাশাপাশি স্থানীয় আপ নেতৃত্বের লক্ষ্য দলের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো। পাঞ্জাবের ফল প্রকাশের পরে জেলা সদর বারাসাত কিছুদিন ধরেই আম আদমি পার্টির পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ। বারাসাতের লাগোয়া বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মানবমুখী অভিযান। জন সংযোগ শিবিরও গড়া হচ্ছে। শহরের পাশাপাশি এবার প্রচুর সংখ্যায় পোস্টার পড়েছে গ্রাম বাংলায় । বার্তা, দুর্নীতিকে ঝাড়ু দিয়ে সাফ করার।বুধবার সকালে বারাসাত ১ নম্বর ব্লকের নীলগঞ্জ হাট এলাকায় দেখা গেল আম আদমি পার্টির শিবির করে প্রচার অভিযান।আম আদমি পার্টি নেতৃত্বের দাবী,মানুষ প্রভুত সাড়া দিচ্ছেন।

রাজ্যে আম আদমি পার্টির প্রচারে এবং জনসংযোগ অভিযানে চমক গোড়া থেকেই থাকছে।পাঞ্জাবে অভাবিত সাফল্যের পরে পোস্টার ছাড়াও লিফলেট বিলি চলছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা জুড়ে শিবির করে ।আম আদমি পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করার নম্বর ও দেওয়া আছে সেখানে। প্রদত্ত নাম্বারে মিসড কল দিলেই আম আদমি পার্টির তরফে যোগাযোগ করে নেওয়া হচ্ছে। সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জনসংযোগে নিজেদের কাজের ধারা ও অভিমুখ মানুষের কাছে সুস্পষ্ট করে তুলে ধরতে মরিয়া আম আদমি পার্টি। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি নিয়ে বেশি সংখ্যক মানুষকে নিয়ে একজোট হয়ে কাজ করতে চায় আম আদমি পার্টি। সদস্য সংগ্রহ, জনসংযোগ করে দলীয় নীতি ও আদৰ্শ মানুষকে বোঝাতে নীলগঞ্জ হাট এলাকায় তাঁরা বুধবার শিবির করে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে চেয়েছেন, জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির উত্তর চব্বিশ পরগনার ডিস্ট্রিক্ট ইনচার্জ সুলেখা অধিকারী। রাজ্যে বিকল্প শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে গ্রাম বাংলায়ও নিজেদের ছড়িয়ে দিতে চায়। সুলেখা অধিকারী জানালেন, মানুষের মধ্যে সাড়া পাচ্ছেন অভূতপূর্ব।।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?