সময় কলকাতা ডেস্ক: রামপুরহাটে হত্যালীলার পর প্রাণ ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে গ্রাম ছেড়েছিলেন মিহিলাল শেখ। তিনি বাতাসপুরে তার শ্বশুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন । ভয়ে আতঙ্কে গ্রামে ফিরতে পারছিলেন না। তবে, ‘সিবিআই এলে সহযোগিতা করবো। তাদের সাথে কথা বলবো’, আজ সাঁইথিয়া বাতাসপুর গ্রামে এই কথাই বললেন মৃতের পরিবারের আত্মীয় মিহিলাল শেখ।
মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রেখে তিনি বলেন,’ মুখ্যমন্ত্রী যেমন বলেছিলেন তেমন কাজ করছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেই কাজ করছে।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘ আমরা গ্রামে ফিরলে নিরাপত্তা দেবে বলেছে। সেই মতোই আমরা গ্রামে ফিরবো ভেবেছি। কিছু কাজ আছে, আমরা দুই এক দিনের মধ্যেই গ্রামে ফিরব।’

রামপুরহাট গণহত্যাকান্ডের তদন্তভার পড়েছে সিবিআই এর হাতে। আর আজ বগটুই গ্রামে পৌঁছায় সিবিআই। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে বগটুই গ্রামের মিহি লাল সেখের অগ্নিদগ্ধ বাড়িতে যায় সিবিআই। সূত্রের খবর মারফত জানা গিয়েছে সিবিআই টিম পৌঁছাতে পারে সাইথিয়া বাতাসপুরের গোপালজোল গ্রামে,যেখানে ঘটানার পর থেকে আশ্রয় নেয় মিহি লাল।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী ঘোষনার পর আজ নিহত পরিবারের হাতে বকেয়া ২০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করল বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। ২৪ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিছু অর্থ বগটুই গ্রামে মূখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে দেন। আজ বকেয়া ২০ লক্ষ টাকা মিহিলালকে তুলে দেয় জেলা প্রশাসন। সাথে বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।


More Stories
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের
খাদ্য সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘন – বারাসাতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে হানা ফুড সেফটি বিভাগের
অস্বাভাবিক মৃত্যু মমতার ভাইঝির, নেপথ্যে কী কারণ?