সময় কলকাতা ডেস্ক: বিদ্যুতের টাওয়ারে চড়ে মাঝবয়সী যুবক। টাওয়ার থেকে যুবককে নামাতে দিনভর ঘাম ছুটল পুলিশ, দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের।বাঁকুড়ার শালতোড়া থানার শুকনিবাসা গ্রামের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য। শনিবার সন্ধ্যে হওয়ার ঠিক আগে হাইটেনশান বিদ্যুতের উঁচু টাওয়ারে উঠে পড়েছিলেন তিনি। তাও আবার টাওয়ারের একেবারে মগডালে। অনেক সাধ্য সাধনাতেও তিনি নামতে নারাজ। অগত্যা কাকভোর থেকে দমকল, পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলার জোগাড়। ভোরে অক্লান্ত পরিশ্রমে অবশেষে তাকে নামানো সম্ভব হয়। তবে টাওয়ার থেকে নামিয়ে আনতেই তাঁকে আটক করল পুলিশ।

বাঁকুড়ার শালতোড়া থানার শুকনিবাসা গ্রাম। গ্রামের সীমানা দিয়ে চলে গেছে মেজিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎবাহী হাইটেনশান লাইন। বিদ্যুৎবাহী হাইটেনশান লাইনের সেই উঁচু খুঁটিরই একেবারে মধ্যস্থানে উঠে বসে আছেন এক মধ্য বয়সী যুবক। মধ্যবয়সী এই যুবকের নাম রামদাস মান্ডি বাড়ি পুরুলিয়া জেলার রাঙ্গামাটি গ্রামে । স্থানীয় শুকনিবাসা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে তিনি এসেছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায় এমন ঘটনা দেখে রীতিমত শিউরে উঠেছিলেন গ্রামের মানুষজন । যে কোনো সময় বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বুঝেই পেরেই এদিন সকালে শালতোড়া থানায় খবর দেন স্থানীয়রা।
এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। যুবককে নেমে আসার জন্য কাকুতি মিনতি করতে থাকেন পুলিশ আধিকারিকরা। কে শোনে কার কথা। চুপচাপ টাওয়ারের মাঝে বসে থেকে নিরুত্তাপ যুবককে দেখে হাল ছাড়ে পুলিশ। খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকল কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবককে টাওয়ার থেকে নামিয়ে আনতে ব্যার্থ হয়। এরপর খবর দেওয়া হয় সিভিল ডিফেন্স কে । সকাল থেকে দমকল, পুলিশ, ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের যৌথ উদ্যোগে শেষ পর্যন্ত আজ দুপুর বারোটা নাগাদ ওই যুবককে নামিয়ে আনা হয় টাওয়ার। আচমকা মাঝবয়সী ওই যুবক কেন টাওয়ারে চড়ে বসলেন পুলিশ তা তদন্ত করে দেখছে। পাশাপাশি পুলিশ তার শারিরিক পরীক্ষারও ব্যবস্থা করছে।


More Stories
দুশ্চিন্তার দিন শেষ! আয়ুষ্মান কার্ড এখন হাতের মুঠোয়
আমডাঙায় ফুড প্লাজা ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
চুরমার বারাসাতের তৃণমূল নেতা অরুণ ভৌমিকের বাড়ি ও পার্টি অফিস, মেরে ফেলা হতে পারে আশঙ্কা স্ত্রীর