Home » প্রধানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উপপ্রধানের

প্রধানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উপপ্রধানের

সময় কলকাতা ডেস্ক : ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ না করে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে । অনিয়মের অভিযোগ তুললেন খোদ পঞ্চায়েতেরই উপপ্রধান। মালদার চাঁচলের ২ নম্বর ব্লকের চন্দ্রপাড়া প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কার্যত ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান। তবে এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের বিডিওর কাছে। মালদা জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, ‘দল কোনরকম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না। কারো বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত দল তার পাশে দাঁড়াবে না। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান চম্পা সরকার ১০০ দিনের প্রকল্পে বেশ কিছু রাস্তার কাজ সহ এলাকায় চাষাবাদের উপর এতদিন নজর দিচ্ছিলেন না উপরন্তু প্রকল্পের বেশকিছু টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত উপপ্রধান কমলিকা থোকদারের দাবি, পঞ্চায়েতের ২০ জন সদস্যের মধ্যে ১৫ জনই এই অভিযোগ করেন। সদস্যদের এতদিন অন্ধকারে রেখে প্রধান এই সমস্ত কাজ করেছেন। এই অভিযোগে তাঁরা জেলা শাসক, জেলা পঞ্চায়েত আধিকারিক, মহকুমা শাসক ও বিডিওকে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করেন উপপ্রধান। অবিলম্বে তদন্ত করে ওই প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান তিনি।

যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন অভিযুক্ত প্রধান। তার দাবি, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে আনা হয়েছে। আমি কোনও টাকা আত্মসাৎ করিনি।’ প্রশাসনিক তদন্তে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন প্রধান চম্পা সরকার।

মালদার চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের বিডিও দিব্যজ্যোতি দাস বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু অভিযোগপত্রে একাধিক প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে, ফলে তদন্তে খানিকটা সময় লাগবে জানান বিডিও। আর এই নিয়ে শাসক দলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সহ সভাপতি সুমিত সরকার। তিনি বলেন, বিরোধীরা এতদিন যে অভিযোগ করছিল এখন শাসকদলের নেতারাই এখন সেই অভিযোগই করছে তাদের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে। দলটা আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ এর জবাব দেবে ।

About Post Author