সময় কলকাতা ডেস্ক: আলানসোল বিধানসভা নির্বাচনের আর হাতেগোনা কয়েকটা দিন বাকী। তারই মাঝে নির্বাচন কমিশনের সেন্সরের কোপে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আগামী সাত দিন কোন সভা,রোড শো, প্রচার,সংবাদ মাধ্যমে বিবৃতি কিংম্বা নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় কোন ধরনের মন্তব্য করতে পারবেন না তৃণমূল বিধায়ক। ভাইরাল হওয়া তাঁর এক হুমকির বক্তব্যের জন্যই কমিশনের তরফে শাস্তি স্বরূপ এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই নির্দেশের কথা জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

প্রসঙ্গত, ১২ এপ্রিল আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে প্রচার নিয়ে ক্রমশ পারদ চড়ছে এলাকায়।এরই মাঝে ভোটের আগে বিজেপি সমর্থকদের পরিবারকে ভয় দেখানোর জন্য দলের কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক। সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তীর একটি বক্তব্য। সেখানে বলা হয়েছে গোঁড়া বিজেপির পরিবার ও কর্মীরা ভোট দিতে গেলে ধরে নিতে হবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন।তাঁদের চমকাতে হবে।ভোট দেওয়ার আগে ভাববেন ভোটের পর কোথায় থাকবেন।যেখানেই থাকুন না কেন নিজের দায়িত্বে তাঁদের থাকতে হবে।আর যদি ভোট দান থেকে বিরত থাকেন তাহলে ধরে নেওয়া হবে আপনি আমাদের সঙ্গে আছেন। এই ভিডিও দিয়ে বিজেপির আই টি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের করা ট্যুইট করেন। তারপরেই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর কমিশন পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নোটিশ ধরায়।তার উত্তরে পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক এই সংক্রান্ত বিজেপির আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।তদন্ত শেষে নির্বাচন কমিশন ৭ দিনের জন্য রাজনৈতিক প্রচারে মিউট করে পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তীকে।কমিশন তার নির্দেশে জানিয়েছে, ৩০ শে মার্চ থেকে ৬ ই এপ্রিল পর্যন্ত কোন নির্বাচনী প্রচারে থাকতে পারবেন না পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী।


More Stories
পুলিশের জালে উদয়ন গুহ
হুইলচেয়ারের জীবন ও সাধন রায়
সাষ্টাঙ্গে নত হয়ে ক্ষমাস্বীকার, মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুরুচিকর পোস্ট করার জন্য শাস্তিবিধান!