Home » ৮ থেকে ৮০ সবারই প্রিয় নীলু ধরের ঘুগনি!

৮ থেকে ৮০ সবারই প্রিয় নীলু ধরের ঘুগনি!

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর।শুধু জেলার গুরুত্বপূর্ণ শহরই নয়, ভৌগোলিক অবস্থানের জন্যও রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর বহরমপুর।সারা বছরই পর্যটকদের পাশাপাশি নানান কাজের জন্য আসা সাধারণ মানুষ ভিড় জমান এই শহরে।তবে বহরমপুরে এলে কমবেশি সবাই একবার খেতে চান নীলু ধরের স্পেশাল ঘুগনি।কেননা বহরমপুর শহরের সন্ধ্যা মানেই নীলু ধরের ঘুগনি।যিনি একবার এই স্বাদে মজেছেন তিনি বারবার এখানে ঘুগনি খেতে আসেন নিজের রসনাকে তৃপ্ত করতে।

দীর্ঘ ৪২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বহরমপুর শহরে এই ঘুগনি বিক্রি করছন নীলরতন ধর ওরফে নীলুবাবু।সন্ধ্যা নামতেই যেন ঘুগনি খেতে ভিড় জমান বহু সাধারণ মানুষ। এক সময়ের বিখ্যাত কল্পনা সিনেমা হলের কাছেই ঘুগনি বিক্রি করেন তিনি।এত বছরেও বদলায়নি তার ঘুগনির স্বাদ।এই ঘুগনি বিক্রি করেই সংসার চালান তিনি।হরেক কিসিমের ঘুগনি আর জিভে জল আনা স্বাদই তার খাবারের বৈশিষ্ট্য।তাঁর এই ঘুগনি খেতে ভিড় জমান বহরমপুর শহরের মানুষ ছাড়াও শহরের বাইরে বহু মানুষ।প্লেন ঘুগনি, খাসির মাংসের ঘুগনি, মুরগির মাংসের ঘুগনি, আলুর দম, মেটে চচ্চরি সহ নানা খাবারের সম্ভার তাঁর কাছে।তবে ক্রেতাদের কাছে নীলু ধরের মাংসের ঘুগনির চাহিদাই বেশি।


নীলরতন ধর নাম হলেও বহরমপুরের শহরের মানুষের কাছে তিনি নীলু নামেই বেশি পরিচিত।ঘুগনি বিক্রেতা নীলু ধর জানান, ‘প্রায় ৪২ বছর ধরে বহরমপুর শহরের কল্পনা সিনেমা হলের সামনে এই ঘুগনি বিক্রি করি।শুধু বহরমপুর নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষও আসে এই ঘুগনি খেতে।আমার কাছে বিভিন্ন রকমের ঘুগনি পাওয়া যায়।অনেকেই চেটে পুটে খান,আবার অনেকেই বাড়ি নিয়ে যান।’


নীলু ধরের ঘুগনি খেতে আসা শান্তনু দত্ত নামে এক ক্রেতা জানান, এই নীলু ধরের ঘুগনি খুবই সুস্বাদু।তাই মাঝে মাঝেই ঘুগনির টানে ছুটে আসি আমরা।অন্যদিকে আরেকজন ক্রেতা তনুশ্রী দত্ত জানান,’ছোটো থেকেই আলদা টেস্ট এবং আলাদা ফ্লেভারের এই ঘুগনি খাচ্ছি।তবে মাংসের ঘুগনি বেশি ভালো লাগে।অন্যদিকে মেটে চচ্চরি আরও বেশি ভালো লাগে।বহরমপুর শহরে যারা এখনও এই ঘুগনি খান নি তাদের এ কবার আসতেই হবে এই ঘুগনি খেতে।’

About Post Author