সময় কলকাতা ডেস্কঃ জাতিসংঘের সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বেশ কিছু গুরুতর দিক তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অনেক প্রভাব বর্তমানে ‘অপরিবর্তনীয়’। তবে তারা এও বলেছে যে জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহারে হ্রাস, বিশ্বব্যাপী বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে সংকটের কিছুটা হ্রাস ঘটতে পারে।
আমাদের একটি বসবাসের অযোগ্য বিশ্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তঃ সরকার প্যানেল বলেছে, বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০% এরও বেশি মানুষ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়ে। তবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির নিচে রাখা গেলে তবে ক্ষতি কিছুটা হ্রাস করা যাবে।
তারা জানায়, ‘আমাদের রিপোর্ট ইঙ্গিত করছে এরকম চলতে থাকলে মানুষের বসবাস এবং যেখানে সে কাজ করে এমন অনেক জায়গাই অস্তিত্বহীন হয়ে পরবে।’ তারা তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলেছে, ‘আমাদের এমন কিছু করতে হবে যাতে এহেন পরিস্থিতি আমরা ঘুরিয়ে দিতে পারি।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন যে, ‘জলবায়ুর সঙ্কট প্রশমিত করার জন্য যে সকল প্ৰচেষ্টা নেওয়া দরকার, তার অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে এবং এটি একটি ‘নির্ধারক দশক’ হতে চলেছে।’ এক্ষেত্রে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করার জন্য প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশও করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের শক্তি দক্ষতার উন্নতি করতে হবে, বিশ্বব্যাপী যে বৃক্ষচ্ছেদন চলছে তা বন্ধ করতে হবে এবং বর্তমানে আরও টেঁকসই পরিবহন এবং স্বচ্ছ শক্তি স্থাপন করা দরকার।’ তাঁর মতে, দেশগুলো যদি যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে তবে ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ুর সঙ্কট কিছুটা প্রশমন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি যে সমস্ত গভীর অরণ্য রয়েছে সেগুলিতে যাতে দাবানল না লাগে, সেদিকে কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে ।বৃক্ষ ছেদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে ।এবং তা যদি না করা যায় ,আগামী প্রজন্ম বিরাট বিপদের সম্মুখীন হতে চলেছে।


More Stories
হরমুজ প্রণালী, রান্নার গ্যাস ও তেল এবং ভারত -ইরানের সম্পর্ক
যুদ্ধের জাঁতাকলে ভারত
ইতিহাস গড়তে পারল না নেপাল, ইংল্যান্ডের কাছে হার মাত্র ৪ রানে