Home » গাছ কাটা নিয়ে তরজা হরিশচন্দ্রপুরে

গাছ কাটা নিয়ে তরজা হরিশচন্দ্রপুরে

সময় কলকাতা ডেস্কঃ দিনের পর দিন বাড়ছে পরিবেশ দূষণ।বাড়ছে বিশ্ব উষ্ণায়নও।করোনা কালে অক্সিজেনের অভাব বোধ করেছে কমবেশি বহু মানুষ।এই অবস্থায় বার বার গাছ লাগানোর কথা বলছেন পরিবেশবিদরা।সেখানে দাঁড়িয়েই বেআইনি ভাবে একটি বাগান থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল একজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। একটি ,দুটি নয় একসঙ্গে আড়াইশোটি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,হরিশচন্দ্রপুরের কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে রয়েছে।সেখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর গাছ।ওই বাগান থেকেই অবৈধ ভাবে গাছ কাটার অভিযোগ উঠছে এলাকার ব্যবসায়ী বিবেক কেডিয়ার বিরুদ্ধে।যার জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন মানুষেরা।স্থানীয়রা তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তিনি জানান বনদপ্তরের কর্তার অনুমতি নিয়ে গাছগুলি কাটা হয়েছিল।এমনকি স্থানীয়রা বারণ করা সত্ত্বেও তাদের কথা শোনেননি ওই ব্যবসায়ী।কিন্তু বন দপ্তর থেকে কি ভাবে এতগুলি গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন?।যদিও প্রশাসন থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে আইনি ভাবে পাঁচটির বেশি গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যায় না।

হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসু জানান’এই ভাবে এত গুলি গাছ কাটা যায় না।একটি গাছ কাটলে পাঁচটি গাছ লাগাতে হয়।তাও গাছ কাটা হয় সরকারি কোনো কাজের প্রয়োজন পড়লে জনস্বার্থে।প্রশাসন এই ব্যাপারটি খতিয়ে দেখবে।আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘অন্যদিকে স্থানীয় এক পরিবেশপ্রেমী দেবব্রত পাল বলেন, ‘কি ভাবে এতগুলো গাছ কেটে নেওয়া হল? কারা এই গাছ কাটার অনুমতি দিল? যেভাবে গাছগুলো কেটে নেওয়া হয়েছে দেখে চোখে জল আসছে!এতগুলো গাছ কাটার কারণে ভুগতে হবে এলাকাবাসীকে।’পাশাপাশি হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের বন ও ভূমি কর্মাধক্ষ্য আদিত্য মিশ্র বলেন, ‘ ব্যাপারটি বৈধ না অবৈধ আমি তা বলতে পারব না।বনদপ্তর আধিকারিকদের ফোন করেছিলাম,বলেছেন যে ৭৫ টি গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছেন।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে কঠোর শাস্তি নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।তাঁদের অভিযোগ,’বর্তমান পৃথিবীতে গাছের প্রয়োজনীয়তা কতটা তা যত দিন যাচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি। কাদের নির্দেশে ওই ব্যবসায়ী এই কাজ করল? সমগ্র ব্যাপার খতিয়ে দেখা উচিত প্রশাসনের।

About Post Author