সময় কলকাতা ডেস্কঃ সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠল একদল তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে সরব হয়েছেন এলাকার তৃণমূল কর্মীদের একাংশ।জমি দখলের বাধা দেওয়ায় ওই জমি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি প্রতিবাদী তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে শুক্রবার হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের রামপুর গ্রামে উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকার বাসিন্দারা জানান, তৃণমূল কর্মী রেজাউল ইসলাম রাস্তার পাশে থাকা পঞ্চায়েতের খাস জমি দীর্ঘদিন ধরেই দখলে রেখেছে। ওই জমির পাশে তাঁর নিজস্ব জমি রয়েছে। নিজস্ব জমির পাশাপাশি পঞ্চায়েতের খাস জমিও নিজের দখলে রেখেছেন।

জমি দখলে রাখার প্রতিবাদ করলেই হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। এদিন গ্রামবাসী এবং ওই অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর মধ্যে বচসা বাধে।বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ায়। তারপরও ওই তৃণমূল কর্মী জমি দখল করতে গেলে গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়ে। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।

প্রকাশ্য জমিদখল নিয়ে শাসক দলের কোন্দ্বল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি নেতৃত্বের।সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। যারা এই অভিযোগ করছে তারা প্রত্যেকেই সমাজ বিরোধী বলে জানান অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী রেজাউল ইসলাম।
সরেজমিনে খতিয়ে দেখব ঘটনাটি কি ঘটেছে। এটা যদি পঞ্চায়েতের দখলে থাকে তাহলে তা পুরোটাই পঞ্চায়েত দেখবে। এছাড়াও দুই পক্ষের ঝামেলা হলে তারা কেউই তৃণমূল কর্মী নয়। শাসকদলকে কলুসিত করার চেষ্টা করছে কেউ জানান তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি তথা বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র।সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক চাপানউতোর।


More Stories
জেলে জায়গা হবে তো? কৃষ্ণ ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের মাফিয়া নন্দন গ্রেফতার
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন