সময় কলকাতা ডেস্ক: হাসরথ কান্ডের ছায়া নদিয়ার হাঁসখালিতে।অভিযোগ, ধর্ষণ করার পর রক্তাক্ত অবস্থায় নাবালিকাকে ফেলে রাখা হয় রাস্তায়। রাতেই মৃত্যু হয় নাবালিকার।এরপরেই তড়িঘড়ি মৃতদেহটি পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে।নাবালিকাকে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্যই তড়িঘড়ি নাবালিকাকে বাড়ির পাশে স্থানীয় শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার হাঁসখালি থানার শ্যামনগর পূর্ব পাড়া এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তার পরেই গ্রেপ্তার হয়েছে মূল অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৫ এপ্রিল প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ছেলের বাড়িতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মদ্যপানের আসর বসে। আর সেদিনই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা জানাজানি হতেই চাইল্ড লাইনের খবর যায় চাইল্ড লাইনের তৎপরতাতেই হাঁসখালী থানায় তৃণমূল নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়।ঘটনার পর থেকে পলাতক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সমীর গোয়ালী ও তার ছেলে অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী। অভিযোগ, নারকীয় এই ঘটনা ঘটানা যাতে প্রকাশ্যে না আসে তাই ক্রমাগত হুমকি আসে সেজন্য নির্যাতিতার পরিবারকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্তের সাঙ্গপাঙ্গরা।পাশবিক অত্যাচারে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি তুলেছেল নাবালিকার বাবা।

নাবালিকার পরিবারের মতোই ঘটনার মূল অভিযুক্ত, তার সাঙ্গপাঙ্গ ও পরিবারের সদস্যদেরও দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।তাঁদের দাবি পরিবারের লোকজনের পশ্রয় পেয়েই অভিযুক্ত যুবক এতবড় একটা ঘটনা ঘটানোর সাহস পেয়েছে। তাই ছেলের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও আমরা দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানাচ্ছি।

অবিলম্বে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক সাজার ব্যবস্থা না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তবে এত কিছুর পরেও অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের ছেলের বিরুদ্ধে আদৌ ব্যবস্থা নেবে তো? প্রশ্ন হাঁশখালির বাসিন্দাদের।


More Stories
গোহত্যা আইন ভেঙে জলপাইগুড়িতে আটক ১
লিভ ইন সম্পর্কে থাকা মহিলার দেহ উদ্ধার মধ্যমগ্রামের হোটেল থেকে
বারাসাতে তৃণমূলের প্রভাবশালীর কান ধরে উঠবোস