সময় কলকাতা ডেস্কঃ মাকে হারিয়েছিলো অনেকদিন আগেই। মায়ের পর এবার চলে গেলেন বাবা। মায়ের মৃত্যুর পর বাবাকে পথদুর্ঘটনায় হারিয়ে অসহায় অবস্থায় তিনভাই বোন। মাথার ওপর ছাদ বা অভিভাবক বলতে আর কেউই নেই তাদের৷ কী করে চলবে তাদের পড়াশোনা? কীভাবেই বা চলবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও খাওয়াদাওয়া? এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে অনাথ এই তিন ভাইবোনের। তাদের দুরাবস্থার কথা জানাজানি হতেই তিন ভাই বোনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।

গত ৫ ই এপ্রিল ধূপগুড়ি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় গ্যারেজ এর কর্মী দিলীপ রায় একটি পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। অনেক আগেই মাকে হারানোর ফলে, বাবার মৃত্যুতে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে এই তিনভাই বোন। আর তাই এই দিন সেই তিন ভাই বোনের সঙ্গে দেখা করলেন ধুপগুড়ি থানার আইসি সুজয় তুঙ্গা। এবং তাদের পাশে থাকার ও সবরকম সাহায্য করার আশ্বাস দেন সুজয়বাবু৷ সেইসঙ্গে তাদের কোনওরূপ সমস্যা হলেও তা তাকে জানাতে বলেন তিনি।

ধূপগুড়ি পুরসভার তিন ভাইবোনের হাতে বইপত্র, খাতা, পেনপেন্সিল ও ব্যাগ সহ কিছু নগদ টাকাও তুলে দিলেন ধূপগুড়ি থানার আইসি সুজয় তুঙ্গা। অনাথ সঞ্জীব রায় জানান, আমি সদ্য মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি৷ কীভাবে চলব? কীভাবে ভাই বোনের খাবারের জোগাড় কী করব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। ধূপগুড়ি থানার বড়বাবু এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা বইখাতা কিনে দিয়েছেন। সেইসঙ্গে বলেছেন যে কোনও রকমের সাহায্যের প্রয়োজন হলে তাঁকে জানাতে।


More Stories
“তাড়া” খেয়ে রাতারাতি সিতাই ছাড়লেন বসুনিয়া দম্পতি
শাবকহারা উদ্বিগ্ন-উন্মত্ত মা গন্ডারের মৃত্যু ফালাকাটায়
অজ্ঞাতবাস থেকে গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে