সময় কলকাতা ডেস্ক : অন্তঃসত্ত্বাকে পেটে লাথি মেরে গর্ভস্থ সন্তানকে মেরে ফেলার অভিযোগে স্থানীয় পঞ্চায়েতেরই এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে । ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ করায় ফের বাড়িতে ভাঙচুড় চালানোর অভিযোগ ওঠে ওই নেতার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ । অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার নাম আনোয়ার হোসেন মণ্ডল ।ঘটনার কথা জানাজানি হতেই শান্তিপুর থানার গয়েশপুর গ্রামের টেংরি ডাঙ্গা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে ঘর ছাড়া ওই পরিবার । ঘটনায় শান্তিপুর থানায় দ্বিতীয়বার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেদিয়া এলাকায় বিয়ে হয় সুলেখা খাতুনের। কর্মসূত্রে সুলেখার স্বামী বাইরে থাকায় প্রায়শই সে তার বাপের বাড়ি আসতেন । অভিযোগ আত্মীয় না হয়েও অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন মণ্ডল ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বার ওপর ফতোয়া জারি করে বাপের বাড়ি না যাওয়ার জন্য । সেই কথা অমান্য করায় তার বাপের বাড়িতে চড়াও হয় অভিযুক্ত ওই নেতা।আক্রান্ত ওই মহিলার অভিযোগ, পেটে লাথি মারার পাশাপাশি তাঁর উপর অত্যাচার চালানো হয় । ফলে বাচ্চাটি নস্ট হয়ে যায়। আক্রান্তের দাবি, শান্তিপুর থানায় এব্যাপারে অভিযোগ জানানোর পরই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ফের নিয়ে চড়াও হন আনোয়ার। পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ ওঠে । এমনকি বোমা পিস্তল সহ বাড়িঘরও ব্যাপক ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে নেতার বিরুদ্ধে। এরপরই শান্তিপুর থানায় দ্বিতীয়বার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

‘ অন্তঃসত্ত্বার দাদা র অভিযোগ আনোয়ার হোসেন প্রভাব খাটিয়ে নিজের কর্তৃত্ব কায়েম করতে চাইছে ওই এলাকায়। ঘটনায় আমরা দ্বিতীয় বার শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাছি। গ্রামের মানুষও এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে।

পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী আমিরুল ইসলাম মণ্ডল বলেন ‘ এই ধরনের ঘটনা মানা যায় না। অভিযোগ দায়ের করার পর শুক্রবার রাতে ফের চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। তবে আইনের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। যে এই কাজ করুক, তাকে শাস্তি দিতে হবে বলে জানান তিনি।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?