Home » পঞ্চায়েত ভোটের আগে বন্দুক নিয়ে দাদাগিরি তৃণমূল নেতার, শুরু রাজনৈতিক চাপান উতোর

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বন্দুক নিয়ে দাদাগিরি তৃণমূল নেতার, শুরু রাজনৈতিক চাপান উতোর

সময় কলকাতা ডেস্ক : ফের দাদাগিরির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বন্দুক নিয়ে এলাকায় তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠলো তৃণমূল এর প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়। ঘটনায় চঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে!

সোমবার সকাল দশটা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় পিস্তল নিয়ে নিজের এলাকায় দাদাগিরি করলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান মিনু মুশহরের স্বামী পূরণ মুশহর।মদ্যপ অবস্থায় দেশি পিস্তল নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের দিকে পিস্তল উঁচিয়ে কখনো তেড়ে গেলেন, আবার কখনও বা কাউকে ধরে তার মাথায়  পিস্তল ঠেকিয়ে  হুমকি দেওয়া। এই ঘটনায় কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভালুকা ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। পিস্তল সমেত গ্রেপ্তার করা হয় পূরণ মুশহরকে।

পুলিশসূত্রে খবর কিছুদিন আগেই মিনু মুশহরকে পঞ্চায়েত থেকে অপসারিত করে তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্যরা। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। ভোটের আগেই প্রাক্তন প্রধানের বন্দুক হাতে দাদাগিরির ঘটনায় অস্বস্তিতে শাসকদল।

ঘটনায় প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল রাজ্য সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন যে তৃণমূল কাউকে দাদাগিরির লাইসেন্স দেয়নি। কেউ যদি মনে করেন তৃণমূল করলাম মানে রক্ষাকবচ পেয়ে গেলাম তাহলে ভুল ভাবছেন। দলনেত্রী প্রশাসনিক ভাবে এবং দলগত ভাবে বার বার বারণ করেছেন। যিনি দাদাগিরি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বিজেপি নেতা কিষান কেডিয়া বলেন তৃণমূলের এটাই সংস্কৃতি। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট তাই ভয় ভীতির বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপি। এটাই তাদের কালচার। মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।

হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান যে, ভালুকা এলাকা থেকে পিস্তল সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে পূরণ মুশহরকে।  গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

About Post Author