Home » জলপাইগুড়ির ২ শ্রমিকের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে

জলপাইগুড়ির ২ শ্রমিকের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে

সময় কলকাতা ডেস্কঃ কাশ্মীর থেকে কফিনবন্দি ২ শ্রমিকের দেহ পৌঁছল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। রবিবারের বিমানে ওই পাঁচ শ্রমিকের দেহ নিয়ে আসার কথা ছিল। কিন্তু সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত রবিবার রাতেই ওই শ্রমিকরা যে সংস্থার জন্য কাজ করতে গিয়েছিলেন, সেই সংস্থার পক্ষ থেকেই অ্যাম্বুলেন্সে করে দেহ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে বিমানের বদলে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরমারির ২ শ্রমিক যুবক গৌতম রায় এবং যাদব রায়ের দেহ পৌঁছয় বাড়িতে। বাকি তিন শ্রমিকের দেহ এদিনই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে নিয়ে আসা হবে বলেই জানা গিয়েছে। কয়েকদিন ধরেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। মৃত ওই দুই শ্রমিকের দেহ গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়াও।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার জম্মুতে কাজ করতে গিয়ে সুড়ঙ্গে ধ্বস নেমে মৃত্যু হয় বাংলার পাঁচ পরিযায়ী শ্রমিকের। এদিন নির্মীয়মান টানেল তৈরির কাজ চলাকালীন ধ্বস নামে। তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে পড়েন শ্রমিকেরা। তাঁদের মধ্যে ৫ জনই ছিলেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির বাসিন্দা। দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানোর পর ধুপগুড়ির সুধীর রায়, পরিমল রায়, দীপক রায় সহ গৌতম রায়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।

জানা গিয়েছে, ধুপগুড়ির গদেয়ারখুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যেক বুথ থেকে প্রায় ২০ জন করে শ্রমিক কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে পাড়ি দেন। মোট ১৮ টি বুথ রয়েছে এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এই পঞ্চায়েত এলাকা থেকেই কাজের সূত্রে ৩ মে জম্মু-কাশ্মীরের রাম্বনে যান ৩ জন শ্রমিক। বাকি ২ জন আগে থেকেই ছিলেন সেখানে। শুক্রবার রাত ১১ টা নাগাদ ধ্বস নেমে বেশ কয়েক জন টানেলে আটকে পড়েন। তাদের মধ্যে ধূপগুড়ি থানার অন্তর্গত ৫ জন শ্রমিক ছিলেন বলেই খবর। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান।

About Post Author