সময় কলকাতা ডেস্কঃ সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হল ওয়ার্ল্ড টার্টেল ডে। অর্থাৎ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস। সমুদ্র, নদী খাল-বিলে বসবাসকারী এই সুন্দর শান্তস্বভাবের প্রাণী কুলকে রক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রাণী বিশেষজ্ঞরা যথেষ্ট তৎপর। গাঙ্গেয় উপকূল ,সুন্দরবনের নদ -নদীতে লুপ্তপ্রায় বাটাগুর বাসকা বা সোনাকাঠা কচ্ছপের সংখ্যা বাড়াতে ১০ বছর ধরে পাইলট প্রজেক্ট চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এবং টার্টেল সারভাইভাল অ্যালায়েন্স অর্থাৎ (TSA)। সে উপলক্ষেই সুন্দরবনের সজনেখালিতে আয়োজন করা হয়েছিল একটি বিশেষ কর্মশালার। কচ্ছপের সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি একটি কচ্ছপের পিঠে ট্রান্সমিটার বসিয়ে নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য একটাই কচ্ছপদের জীবনযাত্রার প্রতি লক্ষ্য রাখা।

এর আগেও বাটাগুর বাসকার প্রজাতির কচ্ছপ এর চলাফেরা এবং তাদের পছন্দের পরিবেশ যাত্রাপথ সহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে ১৯ শে জানুয়ারি ৯টি কচ্ছপের দেহে ট্রান্সমিটার লাগিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল নদীতে। ৯টি কচ্ছপ এর মধ্যে ২টি কচ্ছপ চলে গিয়েছিল বাংলাদেশে । সেদেশের বনবিভাগ ট্রান্সমিটার লাগানো ২টি কচ্ছপকে উদ্ধার করেছে এবং আগামী ২৫ শে মে তাদের নদীতে ছেড়ে দেওয়া হবে। বন বিভাগের আধিকারিকের কথায় দশ-বারোটা বাটাগুর বাসকারের প্রজনন ঘটিয়ে বর্তমানে বাটাগুর বাসকারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০।
স্থানীয় মৎস্য চাষীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বনদপ্তর থেকে প্রকাশ করা হয়েছে একটি পোস্টার, যে পোস্টারটিতে স্থান পেয়েছে কুড়িটি কচ্ছপ। যার মধ্যে রয়েছে গাঙ্গেয় কাছিম অর্থাৎ নিলসনিয়া গ্যাঞ্জিটিকা, ময়ূরপঙ্খী কচ্ছপ অর্থাৎ নিলসননিয়া হুরাম, সহ প্রায় ১৪ টি লুপ্তপ্রায় কচ্ছপ। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রধান মুখ্য বনপাল জে,টি ম্যাথিউ ,প্রধান মুখ্য বনপাল,বন্যপ্রাণ দেবল রায় সহ প্রমূখ।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
লজে পরকীয়া-ব্যাভিচার, হাতেনাতে পাকড়াও সন্তানের জননী ও প্রেমিকপুরুষ
ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন