Home » বাঘে আক্রান্ত পরিবারের পাশে দুয়ারে সরকার

বাঘে আক্রান্ত পরিবারের পাশে দুয়ারে সরকার

শ্যাম বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা , সময় কলকাতাঃ উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন মানেই কখনো বাঘের হানা তো কখনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হন এখানকার মানুষ। একটু অসাবধানতা কেড়ে নেয় জীবনের স্পন্দনটুকু। এখানে বাঘের থাবায় মৃত্যু যেন নিয়তির অমোঘ নিয়মের মধ্যে পড়ে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত তিন দশকে ৩০০০ পুরুষ বাঘের থাবার নিচে মারা পড়েছে। অর্থাৎ গড়ে বছরে প্রায় ১০০ পুরুষের মৃত্যু। ১০০ মহিলার বৈধব্যের কারন হয়ে দাঁড়ায়।  তাই এবার বাঘে আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়ে হাজির প্রশাসনের আধিকারিকরা।

সুন্দরবনের নদি পথের পর এবার জঙ্গল লাগোয়া বাসিন্দাদের সুবিধার্থে ঘরের কাছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়ে হাজির বিডিও, জয়েন্ট বিডিও, বিধায়ক ও প্রধানরা। বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক এর কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারতের-বাংলাদেশের একেবারে সীমান্তবর্তী গ্রাম সামশের নগর ও পারঘুমটি গ্রাম। তার পাশেই রয়েছে ঝিঙ্গা খালি ও কুঁকড়ে খালি  জঙ্গলের লাগোয়া কয়েকশো আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের বাস।

একসময় জঙ্গলে কাঠ ও মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে পাশাপাশি নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হামলায় মৃত্যু হয়েছে পারঘুমটি গ্রামে বহু পুরুষের।তাই এই গ্রামটা বিধবা গ্রাম হিসেবেই পরিচিত।এখানে যেসব বিধবা মহিলারা রয়েছেন তারা সরকারের কাছে আর্জি জানান সরকারি সুবিধার জন্য। তাই সুন্দরবনের এই বাসিন্দারা দুয়ারে সরকার প্রকল্প ঠিকমতো পাচ্ছে কিনা তা সরেজমিনে  দেখে নিতে বাড়ি বাড়ি হাজির হচ্ছেন বিডিও শাশ্বত প্রকাশ লাহিড়ী, জয়েন্ট বিডিও আবুল কালাম আজাদ, হিঙ্গলগঞ্জ এর  বিধায়ক দেবেশ মন্ডল, প্রধান শ্যামল মন্ডল সহ স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

জঙ্গল লাগোয়া মানুষরা হাতের মুঠোয় দুয়ারের সরকারের প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে একেবারে রীতিমতো খুশি। তারা এই সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন ।

About Post Author