সময় কলকাতা ডেস্কঃ রাজ্যে একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলেন ৫১ বছর বয়সী এক চক্ষু চিকিৎসক। বাগুইআটি থানার অন্তর্গত অশ্বিনী নগরের ক্যালকাটা পাবলিক স্কুল এলাকার ঘটনা। মৃত চিকিৎসকের নাম সদানন্দ দাস।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, অশ্বিনী নগরের ক্যালকাটা পাবলিক স্কুলের পাশেই একটি পাঁচতলা বাড়িতে থাকতেন পেশায় চক্ষু চিকিৎসক সদানন্দ বাবু। শনিবার একটি ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে অশান্তি হয় সদানন্দ বাবু এবং তাঁর স্ত্রীর মহুয়া দেবীর মধ্যে। এরপর এদিন রাত ৯টা নাগাদ সদানন্দ বাবু বাড়ি ফেরার পরেই ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। রাত সাড়ে নটা বেজে গেলেও দরজা না খোলায় সন্দেহ হয় মহুয়া দেবীর। এরপর প্রতিবেশীদের সাহায্যে মহুয়া দেবী দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখেন সদানন্দ বাবু গলায় গামছা জড়িয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকাজুড়ে। স্থানীয়দের তরফে খবর দেওয়া হয় বাগুইহাটি থানায়। খবর পেয়ে বাগুইহাটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে,পেশায় চক্ষু চিকিৎসক সদানন্দ বাবুর দুটি চেম্বার ছিল। করোনার পর থেকেই আর্থিক মন্দার মুখোমুখি হয়েছিলেন হন দাস পরিবার । এরপরই সদানন্দ বাবু তাঁর রাজারহাটের দোকানটি পার্টনারশিপে চালাতে চেয়ে ছিলেন। সেই নিয়ে অনেকদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে অশান্তির হচ্ছিল। এমনকি প্রতি রবিবারই সদানন্দ বাবু বীরভূমে তাঁর চেম্বার করতে যেতেন। শনিবার রাতেও তিনি বীরভূমে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরোতে গেলে মহুয়াদেবী তাকে সেখানে যেতে বারণ করেন। তারপরই এদিন সন্ধ্যায় এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন সদানন্দ বাবু।


More Stories
অজ্ঞাতবাস থেকে গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে
নতুন দুই মামলায় আবার পুলিশ হেফাজতে অভিজিৎ দে ভৌমিক
কলাগাছের ভেলায় স্কুলের পথে পাড়ি, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা, নির্বিকার প্রশাসন