সময় কলকাতা ডেস্ক : ইট কাঠ কংক্রিটের জঙ্গল ছেড়ে নিরিবিলি জায়গায় যেতে কার না ভালো লাগে। তাই সপ্তাহে দুদিন ছুটি পেলে একটু অক্সিজেন পেতে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন কালিম্পংয়ের ছোটো পাহাড়ি সবুজে ঘেরা গ্রাম নাকডাড়ায় । আর সেই গ্রামের শোভা বাড়াচ্ছে প্রকান্ড এক নীল জলের ঝিল। আদিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশ আর মাটিতে অদ্ভুত নীরব প্রকৃতিকে সাক্ষী রেখে ওই নীল জলের ঝিলের পাশে দাঁড়িয়ে আপনিও বলে উঠবেন আমি তোমাদেরই লোক, মরিতে চাহিনা আমি এই সুন্দর ভুবনে। সপ্তাহের মাত্র দুটো দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন গ্রাম নাকডাড়ায়।
নাকডাড়ায় গ্রামের সিংহভাগ মানুষের জীবিকা আসলে কৃষি । আদা , বড় এলাচ, এছাড়াও নানা সবজির চাষ হয় এই ছোটো পাহাড়ি গ্রামে। দিনের বেলায় পাহাড়ি পাখির ডাক, সন্ধ্যায় ঝিঁঝির ডাকে মুখরিত ছোটো সবুজে ঘেরা গ্রামে দুদিনের ছুটি কাটিয়ে আসতে পারেন আপনিও।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫৬০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত কালিম্পংয়ের এই নাকডাড়া গ্রাম । সেই গ্রাম থেকে মাত্র ২৮ কিমি দূরে অবস্থিত লাভা ও লোলেগাঁওয়ের মতন পর্যটন স্থান। তাই দেরি না করে আজই শুরু করতে পারেন নাকডাড়ায় যাওয়ার প্রস্তুতি।

কি ভাবে যাবেন ভাবছেন? শিয়ালদহ থেকে কাঞ্চনকন্যা ধরে আপনাকে প্রথমে নামতে হবে নিউ মাল স্টেশনে। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে নাকডাড়া গ্রামে পৌছানো যায়। পাশাপাশি শিলিগুড়ি থেকেও ভাড়ার গাড়িতে যাওয়া যায়।
সম্প্রতি পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে ঢেলে সাজাতে তৈরি হয়েছে তিনটি হোম স্টে। যেখানে এক সঙ্গে ৮০ জন থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আর দেরি না করে আজই ব্যাগ প্যাক করে ফেলুন নাকডাড়ায় যাওয়ার জন্য।


More Stories
মরিচা ঝিল, বর্তির বিল : প্রশাসনিক উদ্যোগে পর্যটন শিল্পে আমডাঙার স্বপ্নপূরণ
মূর্তি পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকশূন্য, মূর্তির মনখারাপ
‘বসন্ত এসে গেছে…’, লালে রাঙা হয়ে উঠেছে বাঁকুড়া-পুরুলিয়া*