Home » রক্তঝরা টেক্সাস : যদি প্রেম দিলে না প্রাণে

রক্তঝরা টেক্সাস : যদি প্রেম দিলে না প্রাণে

সময় কলকাতা ডেস্ক :

রক্তঝরা টেক্সাস (প্রথম পর্ব )

স্ত্রীর মৃত্যু সইতে না পেরে স্বামীর মৃত্যু

“জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে, বন্ধু হে আমার,রয়েছো দাঁড়ায়ে ” মৃত্যুর মধ্যেও জেগে থাকে প্রেম। মৃত্যুর গণ্ডী ছাড়িয়েও জেগে থাকে প্রেম ঠিক যেমন করে জীবনে সুখী দম্পতি হিসেবে হাত ধরে বেঁচেছিলেন গারসিয়া দম্পতি এবং ঠিক যেমন করে মৃত্যু এল।ইর্মা গারসিয়ার মৃত্যুর দুদিনের মধ্যে জীবনের সীমানা ছাড়িয়ে পরপারে পাড়ি দিলেন জো গারসিয়া।

টেক্সাসের শিক্ষিকা ইর্মা গারসিয়া সম্প্রতি কিশোর আততায়ীর গুলিতে প্রাণ হারান।গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সাসের রব এলিমেন্টরি স্কুলে এলোপাথাড়ি গুলি চলার ফলে যে একুশ জনের মৃত্যু হয়েছিল তাঁর মধ্যে ছিলেন এই শিক্ষিকা। সালভাদর ৱ্যামোস নামে ওই তরুণ হ্যান্ডগান ও রাইফেল নিয়ে গুলি চালালে ১৮ জন শিশু সহ ২১ জনের মৃত্যু হয়। মারা যান দুই শিক্ষিকা ইভা মিরালেস ও ইর্মা গারসিয়া।আশ্চর্যজনক  ও মর্মান্তিক ভাবে ইর্মা গারসিয়ার মৃত্যুর পরেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর স্বামী জো গারসিয়ার।

৪৬ বছরের ইর্মা গারসিয়ার মৃত্যুর স্মরণসভাতে পুষ্প স্তবক রেখে বাড়ি ফেরেন বছর পঞ্চাশের জো। বাড়ি ফিরেই লুটিয়ে পড়েন তিনি, সাথে সাথেই মৃত্যু হয় তাঁর এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর ভাতৃস্পুত্র জন মার্টিনেজ।ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন বিষয়টি একেবারেই কাকতালীয় নয়।মৃত্যুর আগে জো তাঁর সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটেও স্ত্রীয়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। তবুও ভেতরে ভেতরে ক্ষয়ে যাচ্ছিলেন।

রক্তের উপত্যকায় বাঁচে প্রেম।ঘাতকের এলোমেলো গুলিতে ২৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই জো গারসিয়ার মৃত্যু যেন এক ইতিহাস যা নশ্বর জীবনের গন্ডিতে বাঁধা থাকছে না।।

চলবে….( পরবর্তী অংশে টেক্সাসের রক্তক্ষয়ের অন্য ইতিহাস )

 

About Post Author