সময় কলকাতা ডেস্কঃ পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে লড়তে কোমর বেঁধেছে রাজ্য পরিবহন দপ্তর। তাই পথে নেমেছে ইলেকট্রিক ও সিএনজি চালিত বাস। বুধবার কসবার পরিবহন ভবনে সিএনজি পাম্পের উদ্বোধন করেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

অনেক আগে থেকেই কসবা বাস ডিপোতে সি এন জি পাম্প তৈরি করার পরিকল্পনা থাকলেও এবার তা বাস্তবায়িত হল। এই পাম্পটি তৈরির জন্য বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিসিএল) সঙ্গে ২০২১ সালের জুন মাসে চুক্তিবদ্ধ হয় রাজ্য পরিবহণ দপ্তর। শুধুমাত্র সরকারি বাসই নয় এখানে গ্যাস ভরবার সুবিধা পাবে বেসরকারি বাস ও অন্যান্য যানও।
পরিবেশ বাঁচাতে ও পেট্রোপণ্যের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পরিবহন দপ্তর প্রথম থেকেই পরিবেশ বান্ধব যানবাহনের ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে। সেই মত একাধিক পদক্ষেপও করেছে পরিবহন নিগম।
পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৩০ টি সিএনজি বাস চালু করেছি। দিনে দিনে এই বাসের সংখ্যা আরো বাড়বে। তাই এই বাসে জ্বালানি সরবরাহ এর জন্যই পাম্পগুলি তৈরি করা হচ্ছে ধাপে ধাপে। পরিবহন দপ্তরে পরিকল্পনা রয়েছে যে, শহরের মধ্যে ইলেকট্রিক বাস বেশি চালানো হবে এবং দূরপাল্লার রুটগুলোতে চালানো হবে সিএনজি অপারেটেড বাস। তবে দূরপাল্লার সিএনজির বাসগুলির জন্য রাজ্যের অন্যান্য জায়গায় দ্রুত তৈরি করতে হবে সিএনজি পাম্পিং স্টেশন।”এই চুক্তি অনুসারে হাওড়া, সল্টলেক, ঠাকুরপুকুর, নীলগঞ্জ, বেলঘরিয়া, সাঁতরাগাছি, করুণাময়ী ও কসবা—এই আটটি ডিপোতে তৈরি করা হবে পাম্পিং স্টেশন।
প্রতিটি ডিপোয় সিনজি স্টেশনের পরিকাঠামো তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় ৩.৫ কোটি টাকা। এই পাম্প থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি বাস গ্যাস ভরাতে পারবে বলে জানান পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
বিজেপিকে একমাত্র রুখতে পারেন দিদি : অখিলেশ যাদব
মানুষের কাজকর্ম হয়ে যাবে ঐচ্ছিক, কেন বলছেন ইলন মাস্ক!