Home » রক্তঝরা টেক্সাস : যদি প্রেম দিলে না প্রাণে

রক্তঝরা টেক্সাস : যদি প্রেম দিলে না প্রাণে

অপরাধের রক্তে লেখা টেক্সাসের নকশা :

“সৃষ্টির মনের কথা মনে হয় দ্বেষ ”   জীবনানন্দ দাস

পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা: প্রেম নয় বরং অপ্রেমের অন্ধকার বহুকাল ধরে প্রগাঢ় টেক্সাসে। টেক্সাস প্রদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অঙ্গীভূত হয় ১৮৪৫ সালে। আরও বছর দশেক আগে এই রাজ্য ছিল মেক্সিকোর অধীনে।এই দশ বছর তো বটেই এবং তার আগে টেক্সাসের দিন কেটেছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে।১০ টি ভিন্ন ধরণের জলবায়ু,১৪ টি ভিন্ন ভূমিরূপ আর ১১ রকম বাস্তুসংস্থান থাকার জন্যই হয়তো জীবন-বৈচিত্র বড্ড খামখেয়ালি আর জটিল টেক্সাসে।ইতিহাস যাই বলুক,টেক্সাস রাজ্যের একটি অন্ধকার অতীত রয়েছে যা কিনা অপরাধের রক্তে লেখা।

কয়েক দশক ধরে, টেক্সাস অপরাধী ,খুনি ও সিরিয়াল কিলারদের কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল হয়েছে।টেক্সাস বিপথগামী খুনিদের গোপনীয়তা লুকিয়ে রাখে। অস্থির আত্মারা শীতল মরুভূমির রাতে স্থির থাকে, চূড়ান্ত পাপের শিকার হয়, হত্যালীলা সংঘটিত হয় আর খুনিদের মত তার শিকারকেও লুকিয়ে রাখে টেক্সাস কারণ অনেকক্ষেত্রে শিকারের দেহ পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।

টেক্সাসের ইতিহাস রক্তেরাঙা। বহুহত্যার সাক্ষী টেক্সাসের বিস্তীর্ণ এলাকায় অপরাধ বরাবরের রোজনামচা । টেক্সাস আয়তনে সুবৃহৎ, আলাস্কার পরেই সবচেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রদেশ। এই প্রদেশের আয়তনের চেয়ে মাত্র ৩৯ টি স্বাধীন দেশের আয়তন বেশি। আড়াইকোটির বেশি মানুষের বাস এখানে। এরমধ্যে হিউস্টন ও ডালাস অন্যতম। আর টেক্সাসের অন্য অঞ্চলগুলির মত ডালাসেও ঘটেছিল পৃথিবীর কয়েকটি কুখ্যাত ও রোমহর্ষক হত্যাকান্ড যারমধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন ফেলেছিল ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর ঘটে যাওয়া এক হত্যাকান্ড। সেদিন খুন হয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি।।

চলবে….

About Post Author